অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে কড়া বাংলার বিজেপি সরকার। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের প্রচারে এসে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অনুপ্রবেশকারী রুখতে ও বিতাড়িত করার কড়া বার্তা দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে একই সুর শুভেন্দু অধিকারীর গলায়। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে গিয়েছেন শুভেন্দু। অসমের মাটি থেকে এদিন একইভাবে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। অসমে যেভাবে অনুপ্রবেশকারীমুক্ত করা হয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা হয়েছে, বাংলাও সেই মডেল ফলো করতে পারে। তেমনই জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। তাহলে কি আগামী দিনে অসমের মতো বাংলাতেও এনআরসি হবে? সেই ইঙ্গিত দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী?
তৃণমূল আমলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা বাংলায় ঘাঁটি গেড়েছে! সীমান্ত এলাকার জেলাগুলিতে তাঁরা থাকছে, এই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। ভোটের প্রচারেও এবার অনুপ্রবেশ ছিল অন্যতম ইস্যু। বাংলায় এসআইআরে লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। বিজেপি সরকারে আসার পরেও যে কোনওভাবে অনুপ্রবেশ ইস্যু হালকা করতে রাজি নয়, তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষরা। বাংলা অনুপ্রবেশকারী মুক্ত করতে অসম মডেল ফলো করার ইঙ্গিতও এদিন দিলেন শুভেন্দু।
তৃণমূল আমলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা বাংলায় ঘাঁটি গেড়েছে! সীমান্ত এলাকার জেলাগুলিতে তাঁরা থাকছে, এই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। ভোটের প্রচারেও এবার অনুপ্রবেশ ছিল অন্যতম ইস্যু।
অসমে গিয়ে শুভেন্দু জানিয়েছেন, "দেশের ভালোর জন্য অসমে, ত্রিপুরার যে কাজ হয়েছে, সেই কাজ সম্পূর্ণ করতে বাংলাতেও বিজেপি সরকার করবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার মিটিংয়ে বলেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর অসম, ত্রিপুরায় অনুপ্রবেশ সমস্যা শেষ হয়ে গিয়েছে। বাংলাতেও আগে তুষ্টিকরণের সরকার ছিল। সেই সরকার বিএসএফকে জমি পর্যন্ত দেয়নি। দেশের সুরক্ষায় প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। অনুপ্রবেশ ইস্যু, বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষা করার জন্য অসম যে কাজ করেছে, বাংলাতেও সেই পদক্ষেপ করা হবে।"
হিমন্ত বিশ্বশর্মা সম্পর্কে তাঁর দাদার মতো। তাঁর থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। তাঁর কাজের থেকে শিক্ষা নিয়েও কাজ করা হবে। এদিন সেই কথাও জানিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, "হিমন্ত বিশ্বশর্মা আমার বড় ভাই। তাঁর সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক অনেক দিনের। তিনি অনেক সাহায্যও করেন। একসঙ্গে কাজ করি। ওনাকে দেখে অনেক কিছু শেখার আছে। রাত একটার সময়ও তিনি নিজে হাতে ফোন ধরে কথা বলেন।" অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আগামী দিন আরও ভালো হবে, হিমন্তকে সেই বিষয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
