shono
Advertisement
Yogi Adityanath

যোগীর উত্তরপ্রদেশে এবার কবিগুরুর নামে গ্রাম! 'মিয়াঁপুর' হবে 'রবীন্দ্রনগর'

যোগী আদিত্যনাথ বাংলাদেশ থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা ৩৩১টি হিন্দু পরিবারকে অভ্যর্থনা জানান। তাঁদের হাতে তুলে দেন জমির মালিকানা।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 05:35 PM Apr 11, 2026Updated: 05:50 PM Apr 11, 2026

বাঙালি তাড়ানোর অভিযোগ ওঠা যোগীর উত্তরপ্রদেশে এবার বাংলার আবেগ! কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানিয়ে উত্তরপ্রদেশের এক গ্রামের নামবদল করতে চলেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সম্প্রতি লখিমপুর খেরি জেলায় এক জনসভায় উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই জেলার মিয়াঁপুর গ্রামের নাম বদলে গুরুদেবের নামে রবীন্দ্রনগর রাখা হবে। বাংলায় ভোট প্রস্তুতির মাঝে যোগীর এই উদ্যোগের নেপথ্যে ভোট রাজনীতি রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

শনিবার লখিমপুর খেরিতে ২১৩টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন যোগী আদিত্যনাথ। এরপর বাংলাদেশ থেকে বাস্তুচ্যুত ৩৩১টি হিন্দু পরিবারকে অভ্যর্থনা জানান। তাঁদের হাতে তুলে দেন জমির মালিকানা। এরপর বাংলাদেশি হিন্দুদের পাশে দাঁড়িয়ে যোগী বলেন, বহু বছর আগে বাংলাদেশ থেকে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো নিরাপত্তাহীনতা এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে ভারতে এসেছিল। এখন তারা ভারতীয় মাটিতে সম্মান ও অধিকার পাচ্ছে। একইসঙ্গে কংগ্রেস ও সপাকে নিশানা করে বলেন, ''হিন্দু ও শিখদের মৃত্যু হলে বিরোধী দলগুলো মুখ খোলে না। সপারা জিন্নাকে প্রশংসা করে। কংগ্রেস-সপা সরকার শুধু প্রতিশ্রুতিই দিয়েছে।"

লখিমপুর খেরি জেলায় এক জনসভায় উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী জানান, এই জেলার মিয়াঁপুর গ্রামের নাম বদলে গুরুদেবের নামে রবীন্দ্রনগর রাখা হবে।

পাকিস্তানের সমালোচনা করে যোগী আরও বলেন, "পাকিস্তানের পাপের জন্যই সেখানকার হিন্দুরা বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। কংগ্রেস সেই বাস্তুচ্যুতদের কোনও অধিকার দেয়নি, বরং এই গ্রামের নাম বদলে মিয়াঁপুর রাখে। পাকিস্তান বিশ্বাসঘাতক। ওরাই জাতপাতের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করেছে। আর আমরা সেই হিন্দু পরিবারগুলিকে ন্যায় দিচ্ছি।" এরপরই যোগীর বক্তব্য, "মিয়াঁপুর গ্রামের নাম বদল করে গুরুদেবের নামে রবীন্দ্রনগর রাখা হবে।"

উত্তরপ্রদেশের সভা থেকে বাংলার শাসকদল তৃণমূলকেও নিশানা করতে ছাড়েননি যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন, "বাংলাদেশে হিন্দু ও শিখদের হত্যা করা হলে কংগ্রেস, সপা এবং তৃণমূল চুপ থাকে। হিন্দু, শিখ ও জৈনদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হলেও এরা মুখবুজে থাকে। কিন্তু এখন এই পরিবারগুলোকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর অধীনে অধিকার দেওয়া হচ্ছে।" উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও এই উত্তরপ্রদেশে অসংখ্য বাঙালিকে বাংলাদেশি বলে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল। বাংলায় ভোটের আগে সেই উত্তরপ্রদেশে বাঙালি আবেগ উসকে রবীন্দ্রনাথের নামে গ্রামের নাম ও বাংলাদেশি হিন্দু পরিবারকে জমি দান করলেন যোগী। অবশ্য যোগীর এই উদ্যোগের নেপথ্যে বঙ্গভোটই দেখেছে ওয়াকিবহাল মহল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement