shono
Advertisement
Ram Mandir theft

উদ্বোধনের 'কৃতিত্ব' নিয়েছেন, চুরিতে চুপ কেন? রামমন্দির নিয়ে মোদিকে তোপ কংগ্রেসের

মন্দির উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত দৈনিক গড়ে ৮ লক্ষ টাকা করে স্রেফ নগদে চুরি হত। সোনাদানা এবং অন্যান্য অলঙ্কার তো রয়েইছে। রাম মন্দির থেকে চুরি যাওয়া সোনার এখনও কোনও হদিশ নেই।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 05:19 PM Jul 05, 2026Updated: 05:19 PM Jul 05, 2026

রামমন্দির উদ্বোধন হয়েছিল তাঁর হাতেই। প্রাণপ্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে ধ্বজারোহণ-সমস্ত কিছুতে উদ্যোগী ভূমিকা দেখা গিয়েছিল তাঁর। কিন্তু অযোধ্যার রামমন্দিরে বিরাট অঙ্কের চুরি নিয়ে তাঁর মুখ থেকে টুঁ শব্দটিও শোনা যায়নি! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির 'নীরবতা' নিয়ে এবার সুর চড়াল কংগ্রেস। দলের জেনারেল সেক্রেটারি জয়রাম রমেশের তোপ, ভোট চুরি, আসন চুরির পর এবার চাঁদা চুরি করছে বিজেপি।

Advertisement

একটি সাক্ষাৎকারে রমেশ বলেন, "রামমন্দিরে চাঁদা চুরি হয়েছে এই নিয়ে কোনও সংশয় নেই। এই ইস্যুতে আরএসএস যা বিবৃতি দিয়েছে সেটা অত্যন্ত লজ্জাজনক। তারা অন্যদের চরিত্রের সার্টিফিকেট দেয়, কিন্তু এবার অত্যন্ত জঘন্য একটা ঘটনাতেই তাদের নাম জড়িয়েছে।" কংগ্রেস নেতার মতে, রামমন্দিরের কোটি কোটি টাকার অনুদান ইতিমধ্যেই একাধিক ব্যক্তির হাতে পাচার হয়ে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির নেতৃত্বে এই ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম শাস্তির দাবিও তুলেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীকেও আক্রমণ শানাতে ভোলেননি বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা। জয়রামের তোপ, রামমন্দির উদ্বোধনের কৃতিত্ব দাবি করতে ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী। লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই মন্দির উদ্বোধন হয়। এই চুরি নিয়ে অবশ্যই মুখ খোলা উচিত তাঁর। সম্প্রতি রাজ্যসভা নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মীনাক্ষী নটরাজনের মনোনয়ন বাতিল প্রসঙ্গ টেনে জয়রাম আরও বলেন, "বিজেপির স্ট্র্যাটেজির তিনটি দিক- ভোট চুরি, আসন চুরি এবং চাঁদা চুরি। ইলেকটোরাল বন্ড নিয়েও বিজেপি এটাই করেছিল-চাঁদা দাও ফায়দা নাও। বিজেপির ডিএনএ'তেই রয়েছে এই চাঁদার ব্যবসা। প্রধানমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা আরএসএস এই নিয়ে কিছু জানত না, এটা ভাবাই যায় না।"

উল্লেখ্য, আগে যেখানে দৈনিক ১৬ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা রাম মন্দিরের সরকারি রেজিস্টার্ড অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত, এখন সেটাই বেড়ে হয়েছে ২৪ থেকে ২৬ লক্ষ। অর্থাৎ চুরি বন্ধ হওয়ার পর থেকে স্রেফ নগদেই ৮ লক্ষ টাকা করে দৈনিক রোজগার বেড়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষের। এতেই বোঝা যায়, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত দৈনিক গড়ে ৮ লক্ষ টাকা করে স্রেফ নগদে চুরি হত। সোনাদানা এবং অন্যান্য অলঙ্কার তো রয়েইছে। এদিকে সামান্য কিছু পরিমাণ টাকা উদ্ধার হলেও রাম মন্দির থেকে চুরি যাওয়া সোনার এখনও কোনও হদিশ নেই।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement