নিট, এসএসসির পর কলেজের প্রবেশিকা। ফের বড়সড় বিভ্রাট এক সর্বভারতীয় পরীক্ষায়। শনিবার দেশজুড়ে CUET UG পরীক্ষা (CUET UG Exam) ছিল। সেইমতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছেও গিয়েছিলেন পড়ুয়ারা। কিন্তু একেবারে শেষ মুহূর্তে তাঁরা জানতে পারলেন, যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছে বেশ কয়েকটি পরীক্ষাকেন্দ্রে। ফলে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে পরীক্ষা। এই খবর পেয়েই পড়ুয়ারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। কেন বারবার কেন্দ্রীয় সংস্থার পরিচালিত পরীক্ষায় এমন বড়সড় ত্রুটি হচ্ছে, এই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে তুলোধোনা করেছেন বিরোধীরা।
দিনকয়েক আগে প্রশ্নফাঁসের জেরে বাতিল হয়েছে মেডিক্যালের সর্বভারতীয় প্রবেশিকা নিট। তারপর এসএসসি জিডি পরীক্ষা ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কোথাও আসনের তুলনায় বেশি পরীক্ষার্থীকে অ্যাডমিট দেওয়া, কোথাও প্রশ্ন ফাঁস, কোথাও পরীক্ষা চলাকালীন সিস্টেম ক্র্যাশ-নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। তার জেরে পরীক্ষা বাতিল করতে হয়েছে। পরীক্ষার সিস্টেম বারবার হ্যাক হয়েছে বলেও শোনা গিয়েছে। এবার সমস্যা ধরা পড়ল CUET UG পরীক্ষা ঘিরে।
শনিবার ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির তরফ থেকে জানানো হয়, অনলাইন পরীক্ষার কেন্দ্র টিসিএসে কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছে। তার জেরে জন্য পিছিয়ে দিতে হয়েছে পরীক্ষা। বাড়তি সময় দেওয়া হবে বলেও জানায় এনটিএ। কিন্তু এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন পড়ুয়ারা। একাধিক পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। সকাল ৯টায় তাঁদের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সাড়ে ১১টায় পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে পারেন। দীর্ঘ সময় পরে তাঁরা পরীক্ষায় বসতে পারেন। দুপুরের পরীক্ষা দুপুর তিনটের পরিবর্তে চারটে থেকে শুরু হবে বলে জানায় এনটিএ।
গোটা ঘটনায় কেন্দ্রকে তোপ দেগেছেন আপ নেত্রী অতিশী। তাঁর কথায়, "শিক্ষামন্ত্রীর অনবদ্য অপদার্থতা। লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া ঘন্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে শেষে শুনছে পরীক্ষা পিছিয়েছে।" পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভের ভিডিও শেয়ারও করেছেন তিনি। যদিও গোটা ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী এখনও চুপ। প্রশ্ন উঠছে, কেন বারবার এই সর্বভারতীয় পরীক্ষাগুলিতে ত্রুটি দেখা যাচ্ছে? পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ কেন সুরক্ষিত করছে না নিয়ামক সংস্থা?
