ইচ্ছা ছিল বিড়াল পোষার। কিন্তু রাজি নয় পরিবারের লোকজন। এই নিয়ে দীর্ঘ বিবাদ। অভিমানে অবশেষে ‘আত্মহত্যা’র পথ বেছে নিলেন এক তরুণী চিকিৎসক। শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে হায়দরাবাদের আলওয়ালে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার নাম টি প্রিন্সি ওরফে শ্রেষ্ঠা। পরিবারের সঙ্গেই তিনি থাকতেন। সম্প্রতি তিনি একটি বিড়াল বাড়িতে আনেন। কিন্তু পরিবারের সদস্যদের তা পছন্দ ছিল না। এই নিয়ে শ্রেষ্ঠার সঙ্গে তাঁর মা এবং ঠাকুমার বাগ-বিতণ্ডা লেগেই থাকত। শুধু তা-ই নয়, বিড়ালটি বাড়িতে আনার পর থেকেই শ্রেষ্ঠা সর্দি-কাশি-সহ বিভিন্ন রোগে ভুগতেন। এর জেরে আরও ক্ষুদ্ধ হন পরিবারের সদস্যরা। বিড়ালটিকে বাড়িতে রাখতে তারা আপত্তি জানায়। এরপরই বিবাদ চরমে ওঠে।
জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার শ্রেষ্ঠার মা এবং ঠাকুমা কোনও কাজে বাইরে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফিরে শ্রেষ্ঠার কোনও সাড়া পাননি তাঁরা। তখনই তাঁদের সন্দেহ হয়। এরপর শ্রেষ্ঠার ঘর থেকেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
