shono
Advertisement
Arvind Kejriwal

'ক্ষমতায় আসার পাঁচ দিনের মধ্যে নিষিদ্ধ হবে ই-২০ পেট্রল', গোয়ায় ঘোষণা কেজরিওয়ালের

বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ইথানল মিশ্রিত পেট্রল এবার নির্বাচনী হাতিয়ার আম আদমি পার্টির। আগামী বছর গোয়া বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে এখন থেকে ময়দানে নেমে পড়লেন আপের আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 11:02 AM Aug 26, 2026Updated: 01:27 PM Aug 26, 2026

বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ইথানল মিশ্রিত পেট্রল এবার নির্বাচনী হাতিয়ার আম আদমি পার্টির। আগামী বছর গোয়া বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে এখন থেকে ময়দানে নেমে পড়লেন আপের আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। মঙ্গলবার গোয়ার এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, রাজ্যে আপ ক্ষমতায় এলে ৫ দিনের মধ্যে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হবে বিতর্কিত ই-২০ পেট্রল (E20 Petrol)।

Advertisement

দু'দিনের সফরে বিজেপি শাসিত গোয়া গিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সেখানেই আপের প্রচার অভিযানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ই-২০ পেট্রলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কেজরি বলেন, "যদি ২০২৭ সালের ১০ মার্চের পর গোয়ায় আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসে, তাহলে ৫ দিনের মধ্যে গোটা রাজ্যে ইথানল মিশ্রিত পেট্রল বিক্রি বন্ধ করা হবে। আমি যদি আমার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারি তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব।"

কেজরি বলেন, 'যদি ২০২৭ সালের ১০ মার্চের পর গোয়ায় আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসে, তাহলে ৫ দিনের মধ্যে গোটা রাজ্যে ইথানল মিশ্রিত পেট্রল বিক্রি বন্ধ করা হবে।'

এই পেট্রলে মানুষের হয়রানির কথা তুলে ধরে কেজরি বলেন, "ই-২০ পেট্রলে গাড়ির ইঞ্জিন ও ফুয়েল সিস্টেমের ক্ষতি করার পাশাপাশি মাইলেজও কমিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি গাড়ি চালকরা ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়ছেন। পুরনো গাড়ি ব্যবহার করেন এমন বহু মানুষ এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন। তাদের রুজিরুটি মার খাচ্ছে।"

শুধু তাই নয়, চিনির দাম বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রের এই ইথানল নীতিকে দুষেছেন কেজরি। বলেন, "প্রায় ২৫ লক্ষ টন চিনির সমপরিমাণ আখ ইথানল উৎপাদনের জন্য সরিয়ে নেওয়ায় অভ্যন্তরীণ সরবরাহ কমে গেছে। জুলাই মাসের শেষে চিনির দাম ছিল কেজি প্রতি প্রায় ৪৫ টাকা। একমাসের মধ্যে কিছু বাজারে চিনি ৭০ টাকারও বেশি হয়েছে। ইথানল তৈরির জন্য আখের ব্যবহার শুরু করার আগে সরকারের উচিত ছিল ঘাটতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা।" তিনি কটাক্ষ করে বলেন, "সরকার বলেছিল ইথানলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। তবে সেই সাশ্রয় এখন চিনি আমদানিতে পুষিয়ে যাচ্ছে। সঙ্গে বাড়তি হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement