অসম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পণ্ডিচেরিতে বিধানসভা ভোটের রেজাল্ট আজ। ৫ রাজ্যে আগামী কার ক্ষমতা, জনতার রায়ে কে গড়বে সরকার? হাইভোল্টেজ সোমবারেই সব উত্তর মিলবে। ভোটগ্রহণের পর বুথ ফেরত সমীক্ষায় সব রাজ্যেই কোন দল বা জোট ক্ষমতায় ফিরবে বা ক্ষমতা ধরে রাখবে তার পূর্বাভাস মিলেছে। এখন দেখার, সমীক্ষার ফলাফল মিলে যায়, নাকি পাসা উলটে বাজিমাত করবে প্রতিপক্ষ কোনও দল।
এবারের নির্বাচনে অন্যতম হাই-ভোল্টেজ লড়াই অসমে। একদিকে ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট, অন্যদিকে হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে গদিচ্যুত করে মসনদ দখলে মরিয়া কংগ্রেসের গৌরব গগৈ। অসমই একমাত্র রাজ্য, যেখানে সমস্ত পোলিং সংস্থা হিমন্ত বিশ্বশর্মা সরকারের আবারও ক্ষমতায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে।
তামিলনাড়ুতে এমকে স্ট্যালিনের ডিএমকে জোটের জয়ের পূর্বাভাস দিলেও, অভিনেতা বিজয়-এর দলের অপ্রত্যাশিত জয়ও হাতের নাগালে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ১৯৭৭-এর এমজি রামচন্দ্রনের জয়ের মতোই ইতিহাস গড়তে পারে। এক্সিট পোলের পূর্বাভাসে বিজয়ের টিভিকে ৯৮ থেকে ১২০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। ডিএমকে জোট ৯২ থেকে ১০০টি আসন এবং এআইএডিএমকে-নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২২ থেকে ৩২টি আসন পেতে পারে।
অন্যদিকে, কেরালায় এলডিএফ-কে সরিয়ে দীর্ঘ সময় পর ক্ষমতায় ফিরতে পারে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ! ১৪০ সদস্যের বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ৭১টি আসন প্রয়োজন। এক্সিট পোলে এলডিএফ ৪৯-৬২ এবং ৪৪-৫৬ আসন পেয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন সেখানে প্রান্তিক শক্তি হিসেবে থাকতে পারে, তবে কিছু আসনে তাদের প্রভাব পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।
পণ্ডিচেরির ক্ষেত্রে, পোলিং সংস্থাগুলি এনডিএ-র ক্ষমতা ধরে রাখার পূর্বাভাস দিয়েছে। এনডিএ জোট ১৫ থেকে ১৯টি আসন নিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে, যা ৩০ সদস্যের এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভায় তাদের একটি শক্তিশালী অবস্থানে রেখেছে।
