shono
Advertisement
Mumbai

বার নর্তকী থেকে ড্রাগ ক্যুইন! মুম্বইয়ের অভিজাত বাড়ি থেকে উদ্ধার ৬ কোটির মাদক

আন্তর্জাতিক চক্রের যোগ রয়েছে বলেই অনুমান পুলিশের। শিগগিরি আরও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে দাবি তদন্তকারীদের।
Published By: Biswadip DeyPosted: 02:30 PM Apr 21, 2026Updated: 03:25 PM Apr 21, 2026

এ যেন 'ছিল রুমাল, হয়ে গেল একটা বেড়াল।' এক সামান্য মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছিল মুম্বই পুলিশ। সাকিনাকার বাসিন্দা ইরফান আনসারির কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয় ২০০ নেশার বড়ি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই সন্ধান মিলতে থাকে একের পর এক অভিযুক্তের। আর সেখান থেকেই সন্ধান মেলে এক 'ড্রাগ ক্যুইনে'র। কল্যাণের অভিজাত পাড়ায় তার বাড়ি। সেখান থেকেই সন্ধান মিলল ৬ কোটির মাদকের। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক চক্রের যোগ রয়েছে বলেই অনুমান পুলিশের।

Advertisement

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে যে, মাদক সরবরাহের ব্যবসায় নামার আগে ওই যুবতী একটি ড্যান্স বারে কাজ করত। সে দু'বার বিয়ে করেছে। তাঁর এক স্বামীর অপরাধমূলক রেকর্ডও রয়েছে। পুলিশ বর্তমানে তার অতীতের যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক সংযোগগুলো খতিয়ে দেখছে। কীভাবে বার নর্তকী থেকে সে ড্রাগ চোরাচালানের 'কিংপিন' হয়ে উঠল এখন সেটা নিয়েই মাথা ঘামাচ্ছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই মাদকবিরোধী সেল তদন্তের গতি বাড়িয়েছে। এবং এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগসূত্র রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ওই মহিলার সন্ধান পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে তল্লাশির পরিকল্পনা করেনি পুলিশ। বরং দিন তিনেক ধরে ধীরে ধীরে প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। আর তারপরই গত শনিবার রাতে ওই মহিলার বাড়িতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। এদিকে অভিযুক্ত মহিলার ধারণা ছিল, পুলিশ তার সন্ধানই পাবে না। আর সেই কারণেই নিজের বাড়িতে বিপুল পরিমাণে মাদক জড়ো করেছিল সে। কেবল মাদক বড়িই ছিল প্রায় পাঁচ হাজার। পুলিশ মাদক ছাড়াও ৭-৮টি সিম কার্ড ও পাঁচটি মোবাইল ফোন আটক করেছে সেখান থেকে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, দুই এমবিএ পড়ুয়ার মাদকের ওভারডোজে মৃত্যু হতেই পুলিশ আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে থাকে। আর তার ফলেই শেষপর্যন্ত তারা পৌঁছে গিয়েছে চক্রের একেবারে শীর্ষে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement