আচমকা জরুরি অবস্থা জারি হল দিল্লি বিমানবন্দরে। সমস্ত বিমান চলাচল একেবারে স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ডেকে পাঠানো হয়েছে দমকল বিভাগকেও। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, একটি বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। তারপরেই দিল্লি বিমানবন্দর জুড়ে জারি হয় জরুরি অবস্থা। শনিবার সকালে জানা যায়, বিশাখাপত্তনম থেকে দিল্লিমুখী একটি বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। তারপরেই দিল্লি বিমানবন্দরে জারি হয় জরুরি অবস্থা।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা বড়সড় বিপর্যয়ের মুখে এসে পড়ে দিল্লি বিমানবন্দর। ১৬১ জন যাত্রী নিয়ে বিশাখাপত্তনম থেকে দিল্লিতে নামার কথা ছিল ইন্ডিগো উড়ান সংস্থার একটি বিমানের। কিন্তু মাঝআকাশে থাকাকালীনই বোয়িং ৭৩৭ বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। বিকল হয়ে যায় বিমানের ইঞ্জিন। ফলে বড়সড় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা তৈরি হয় দিল্লি বিমানবন্দরে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দিল্লির দমকল বিভাগকেও।
সূত্রের খবর, দিল্লি বিমানবন্দরের ২৮ নম্বর রানওয়েতে নামার কথা ছিল ইন্ডিগো বিমানটির। ওই রানওয়ে ঘিরে জারি হয় হাই অ্যালার্ট। গোটা বিমানবন্দর জুড়ে জারি করা হয় জরুরি অবস্থা। ফায়ার টেন্ডার চালু করা হয়। অন্যান্য সমস্ত বিভাগকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। দিল্লির দমকল বিভাগের তরফে জানানো হয়, সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে বিমানের জরুরি অবতরণ হয় দিল্লি বিমানবন্দরে। সকল যাত্রী এবং বিমানকর্মীকে নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মাসেও একইভাবে দিল্লি বিমানবন্দরে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। সেবার লেহ থেকে দিল্লিমুখী স্পাইসজেট বিমানের একটি ইঞ্জিনের সমস্যা দেখা যায়। ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন ওই বিমানটিতে। ওই উড়ানটি নিরাপদে নামানোর জন্যও বিমানবন্দরে জারি হয় জরুরি অবস্থা। সেবারও আশঙ্কার কেন্দ্রে ছিল স্পাইসজেটের বোয়িং ৭৩৭ বিমান। গতবছর আহমেদাবাদে বোয়িং ৭৩৭ ভেঙে পড়ার পর থেকেই ওই বিমানের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তারপরেও বারবার সমস্যা দেখা দিচ্ছে বোয়িং ৭৩৭ বিমানে।
