গুজরাটে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড। সোনার কানের দুল ছিনিয়ে নিতে এক প্রৌঢ়াকে কুপিয়ে খুন করে মাটিতে পুঁতে দিল দুষ্কৃতী। পুলিশ জানিয়েছে, ওই মহিলার দুই কান কেটে ফেলে অভিযুক্ত। হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়ার দশ ঘণ্টার মধ্যে দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঘটনাটি মেহসানা জেলার ইন্দ্রাদ গ্রামের। ২০ মার্চ সকালে সেখানকার 'সবিতা অমৃত ফার্ম' নামের একটি বাগানে ঢুকেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা শারদাবেন ঠাকুর নামের ৫৪ বছরের এক মহিলা। যদিও তাঁকে কেউ ফিরে আসতে দেখেনি। নিখোঁজের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তদন্তে নামে। এর পর বাগানের একটি লেবুগাছের তলায় সদ্য় কোপানো মাটি দেখে সন্দেহ হয়।
পুলিশের নির্দেশে ওই মাটি খুঁড়তেই ভিতর থেকে বের হয় সারদাবেনের ক্ষতবিক্ষত দেহ। উদ্ধার হয় তাঁর কাটা কানের টুকরো। মেলেনি কানে থাকা ৩ লক্ষ ৪০ হাজর টাকা দামের একজোড়া সোনার কানের দুল। লাশ উদ্ধারের ১০ ঘণ্টার মধ্যে মেহসানা পুলিশ সন্দেহভাজন শচীনকুমার মুকুন্দভাই দান্তানিকে গ্রেপ্তার করেছে।
তদন্তকারীরা গোপন সূত্রে খবর পান, এক ব্যক্তি চোরাই গয়না বিক্রি করছে। ওই খবর পাওয়ামাত্র ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত শচীনকুমার মুকুন্দভাই দান্তানিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর কাছে থেকে খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং ছিনতাই করা গয়না উদ্ধার হয়েছে।
