উত্তরপ্রদেশের যমুনায় নৌকাডুবি। শুক্রবার দুপুরে ভক্তদের নিয়ে উলটে গেল যাত্রীবোঝাই নৌকা। পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। মৃতদের মধ্যে ৬ জন মহিলা ও ৪ জন পুরুষ বলেই জানা গিয়েছে। বহু এখনও নিখোঁজ। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে অনুমান। উদ্ধারকার্য চালাছে এনডিআরএফ ও স্থানীয় প্রশাসনের দল।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঞ্জাবের লুধিয়ানা থেকে প্রায় ১৫০ জনের একটি ভক্তের দল বৃন্দাবনে আসেন। তাঁদের মধ্যে কিছু ভক্ত শুক্রবার নৌকা করে স্থানীয় মন্দির দর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় মান্ট থানার অন্তর্গত কেসি ঘাটের কাছে একটি সেতুতে ধাক্কা মারে নৌকাটি। নদীতে অতিরিক্ত স্রোতের কারণে নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে এই দুর্ঘটনা বলে প্রাথমিক অনুমান।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। যায় এনডিআরএফের দলও। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকার্য। নামানো হয় ডুবুরি। ১৫ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা গিয়েছে। বৃন্দাবনের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁরা সেখানেই চিকিৎসাধীন। এদিকে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বহু নিখোঁজ। নদীতে তল্লাশি চলছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সিপি সিং বলেন, "শুক্রবার যমুনা নদীতে একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রবল স্রোতের কারণে নৌকাটি একটি পন্টুন সেতুর সঙ্গে ধাক্কা খায়। নিখোঁজ ভক্তদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে।"
মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, 'অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। শোকাগ্রস্ত পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবিলম্বে ঘটনাস্থলে গিয়ে, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা ও আহতদের যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'
শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। পিএমওর তরফ থেকে লেখা হয়েছে, 'উত্তরপ্রদেশের মথুরায় নৌকাডুবির দুর্ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।'
