ভোটের মুখে ভিনরাজ্য থেকে বঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র আদানপ্রদান নিয়ে তৎপর রেল পুলিশ। আর তাতেই বিহারের ভাগলপুর থেকে উদ্ধার হল প্রচুর দেশি অস্ত্র। তার মধ্যে রয়েছে দেশি কার্তুজ, পিস্তল তেমনই রয়েছে ছুরিও। এছাড়া মোবাইল ফোন, আধার কার্ডও উদ্ধার হয়েছে। আরপিএফ এবং জিআরপি-র টাস্ক ফোর্সের যৌথ অভিযানে এসব বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে খবর। 'রেল মদত' অ্যাপে মহিলা যাত্রীর সোনার হার ছিনতাইয়ের অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে এসব আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের পর আরও সতর্ক রেল পুলিশ। নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।
আরপিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, 'রেল মদত' অ্যাপের মাধ্যমে এক মহিলা যাত্রী অভিযোগ জানিয়েছিলেন, ভাগলপুর থেকে সুরাট যাওয়ার পথে তাঁর সোনার হার ছিনতাই হয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্ত করতে নেমেই বড়সড় চক্রের সন্ধান পায় আরপিএফ। বিস্তারিত তদন্তের জন্য আরপিএফ ও জিআরপি সমন্বয়ের মাধ্যমে টাস্ক ফোর্স তৈরি হয়। তারা তদন্তে নেমে জানতে পারে, এর নেপথ্যে ভাগলপুরের কুখ্যাত দুষ্কৃতী মহম্মদ নারা। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি চালানো হলেও রেল পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে সে পালিয়ে যায়।
রেল পুলিশ তদন্ত চালিয়ে উদ্ধার করে প্রচুর দেশি অস্ত্র। যার মধ্যে রয়েছে দুটি পিস্তল, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি চারটি পিস্তল, ৪ ম্যাগাজিন। এছাড়া ১২ টি কার্তুজ, যার মধ্যে ৬টিই দেশি। বাজেয়াপ্ত হয়েছে তিনটি রামপুরী ছুরি, চারটি লোহার ছুরি, একটি দা-ও। চার গ্রাম সোনার গয়না, ২০০ গ্রাম রুপোর গয়নার পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১৪টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, ২৮টি কি-প্যাড ফোন, একটি ট্যাবলেট এবং ৫০টি আধার কার্ড।
রেল পুলিশ তদন্ত চালিয়ে উদ্ধার করে প্রচুর দেশি অস্ত্র। যার মধ্যে রয়েছে দুটি পিস্তল, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি চারটি পিস্তল, ৪ ম্যাগাজিন। এছাড়া ১২ টি কার্তুজ, যার মধ্যে ৬টিই দেশি। বাজেয়াপ্ত হয়েছে তিনটি রামপুরী ছুরি, চারটি লোহার ছুরি, একটি দা-ও। চার গ্রাম সোনার গয়না, ২০০ গ্রাম রুপোর গয়নার পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১৪টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, ২৮টি কি-প্যাড ফোন, একটি ট্যাবলেট এবং ৫০টি আধার কার্ড। আধার কার্ডগুলি পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, তা বিভিন্ন যাত্রীর। এসব কীভাবে ওই দুষ্কৃতীর হাতে এল, কোন উদ্দেশে এসব ছিনতাই করা - সেসব খতিয়ে দেখছে রেল পুলিশ। মহম্মদ নারাকে গ্রেপ্তারের জন্য জোরদার তল্লাশি শুরু হয়েছে।
