shono
Advertisement
Indian Army

এবার শত্রুকে ‘অন্ধ’ করে আক্রমণ! ভারতীয় সেনার রণকৌশলে বিরাট বদল

জানা গিয়েছে, সামরিক শক্তির পাশাপাশি ‘ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম কন্ট্রোল’কেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সেনাবাহিনীতে। মনে করা হচ্ছে, এর ফলে ভবিষ্যতে যুদ্ধের ময়দানের ছবি আমূল বদলে যাবে।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 12:15 AM Sep 08, 2026Updated: 12:15 AM Sep 08, 2026

যত দিন যাচ্ছে, ততই বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের চরিত্র। একসময় যুদ্ধের ময়দানে ট্যাঙ্ক, যুদ্ধবিমানের মতো বড় বড় সামরিক সরঞ্জামই ছিল শক্তির অন্যতম মাপকাঠি। কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধ সেই ধারণায় বদল এনেছে। ড্রোন, রাডার, স্যাটেলাইট, রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমেও যে শত্রুকে কাবু করা যায়, তা প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। সেই শিক্ষা নিয়েই এবার বিরাট বদল আসছে ভারতীয় সেনায়।

Advertisement

জানা গিয়েছে, সামরিক শক্তির পাশাপাশি ‘ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম কন্ট্রোল’কেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সেনাবাহিনীতে। মনে করা হচ্ছে, এর ফলে ভবিষ্যতে যুদ্ধের ময়দানের ছবি আমূল বদলে যাবে। ‘স্পেকট্রাম কন্ট্রোল’ কী? সেনার রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা, রাডার, ড্রোন ও অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা যে সিগন্যালের মাধ্যমে কাজ করে, সেই সিগন্যালগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করাই হল ‘স্পেকট্রাম কন্ট্রোল’। এর মাধ্যমে নিজেদের যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়। প্রয়োজনে শত্রুর সিগন্যাল শনাক্ত করে তা ‘ধ্বংস’ করা হয়। এর ফলে কার্যত অন্ধ হয়ে যায় শত্রু। আধুনিক যুদ্ধে দ্রুত তথ্য আদানপ্রদান ও যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এই প্রযুক্তির গুরুত্বও বাড়ছে।

উন্নত নজরদারি, নির্ভুল আক্রমণের সক্ষমতা, নিরবিচ্ছন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে শত্রুকে পরাস্ত করার রণকৌশল এখন গুরুত্ব পাচ্ছে সেনাবাহিনীতে। অর্থাৎ, প্রচলিত সেনা অভিযানের পাশাপাশি এই আধুনিক বিষয়গুলিকেও রণকৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতের যুদ্ধের প্রস্তুতিতে ভারতীয় সেনার লক্ষ্য শুধু ময়দানে সৈন্য সংখ্যা বৃদ্ধি বা অস্ত্র ভাণ্ডার শক্তিশালী করা নয়। দ্রুত তথ্য সংগ্রহ, নিরাপদ যোগাযোগ, ড্রোন-সেন্সর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে নির্ভুলভাবে যুদ্ধ পরিচালনা করা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement