shono
Advertisement
Indian rupee

সেঞ্চুরি আসন্ন! সর্বকালের রেকর্ড পতনের পর ৯৬ ছুঁইছুঁই টাকার দাম, রক্তক্ষরণ চলছে দালাল স্ট্রিটেও

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং তার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি-এই কারণেই ভারতীয় মুদ্রার উপরে চাপ বাড়ছে।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 11:21 AM May 12, 2026Updated: 11:21 AM May 12, 2026

সেঞ্চুরির দিকে আরও এগিয়ে গেল মার্কিন ডলারের নিরিখে টাকার দাম। মঙ্গলবার সকালে বাজার খুলতেই টাকার দাম অন্তত ২৭ পয়সা কমে যায়। তার ফলে ডলার প্রতি টাকার মূল্য সাড়ে ৯৫ টাকারও উপরে পৌঁছে যায়। টাকার দামে এটাই সর্বকালীন পতন। অন্যদিকে বেহাল দশা শেয়ার বাজারেও। সোমবার ৯০০ পয়েন্টেরও বেশি পড়েছিল সেনসেক্স। সেই রক্তক্ষরণ অব্যাহত মঙ্গলবারও। বাজার খোলার পর থেকে সেনসেক্সের সূচক ক্রমশ নিম্নমুখী। যুদ্ধের আবহে এই দুর্দশা আরও বাড়বে বলেই বিশ্লেষকদের আশঙ্কা।

Advertisement

গত ৪ মার্চ প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ধাক্কায় টাকার দাম ৭০ পয়সা বেড়ে ৯২-এর গণ্ডি ছাপিয়ে যায়। মার্কিন ডলারের দাম দাঁড়ায় ৯২.১৭ টাকা। মাত্র পাঁচদিনের মধ্যেই আরও ধস নামে টাকার মূল্যে। সর্বকালের রেকর্ড পতনের ফলে ডলারের দাম গিয়ে দাঁড়ায় ৯২.৩০ টাকায়। যুদ্ধ চলতে থাকলে টাকার দামে এই রক্তক্ষরণও অব্যাহত থাকবে, আশঙ্কা ছিল। সেই আশঙ্কা সত্যি করে ৯৫-এর গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে টাকা, মাত্র দু'মাসের মধ্যে। সর্বকালীন রেকর্ড পতনের নতুন নজির তৈরি হচ্ছে প্রত্যেক সপ্তাহেই। সেই ধারা বজায় রেখে ৯৬-এর খুব কাছে পৌঁছে গেল টাকার দাম। সর্বকালীন রেকর্ড পতনের জেরে এক মার্কিন ডলারের দাম ৯৫.৫৮ টাকা। 'সেঞ্চুরি' থেকে মাত্র ৪.৪২ টাকা দূরে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং তার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি-এই কারণেই ভারতীয় মুদ্রার উপরে চাপ বাড়ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। দেড় মাস যুদ্ধের পর আপাতত দুই পক্ষ সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ফেরানোর প্রস্তাব নাকচ করে চলেছে দুই দেশই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সংঘর্ষবিরতি এখন লাইফ সাপোর্টে আছে। এই হুঙ্কারের পরই টাকার দামে বড়সড় পতন হল মঙ্গলবার।

উল্লেখ্য, বর্তমানে যে অঞ্চলগুলিতে সংস্যা চলছে, সেখান থেকেই ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করা হয়। ফলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে আতঙ্ক বাড়ছে দেশবাসীর মধ্যে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বার্তা দিয়েছেন, দেশবাসীকে সংযমী হতে হবে। আমজনতাকে বাড়ি থেকে কাজ (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) করার পরামর্শ দিয়েছেন। ভোজ্য তেলের ব্যবহার হ্রাস এবং সোনা কেনাও কমিয়ে আনারও আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে দেশে সব ধরনের জ্বালানির পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বলে জানিয়েছে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement