টিসিএস নিয়ে কর্পোরেট জেহাদ কাণ্ডে তোলপাড় মহারাষ্ট্রের নাসিক। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ছ’জনকে। আর এই বিতর্কের মধ্যেই এবার অভিযোগ উঠল পুণে ইনফোসিস নিয়ে। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নীতেশ রানে সম্প্রতি পুণের ইনফোসিস অফিসে ধর্মীয় নিপীড়ন এবং ‘লাভ জেহাদ’ সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে সরব হন।
অভিযোগের সূত্রপাত সোমবার। পুণে ইনফোসিসের একজন প্রাক্তন কর্মচারী অভিযোগ করেন, সংস্থার ভিতরে নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠী হিন্দুদের লক্ষ্য করে ধর্মান্তরকরণ এবং ভাবাবেগে আঘাত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসার পর নীতেশ রানে এর কড়া সমালোচনা করেন। এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্তের আশ্বাস দেন। তিনি সোশাল মিডিয়ায় বলেন যে, আইটি সেক্টরে এই ধরনের কোনও ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। সোমবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশকেও এই অভিযোগ জানানো হয়েছে। সংবাদ সংস্থার খবর, মন্ত্রী ওই প্রাক্তন কর্মীকে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
অভিযোগের সূত্রপাত সোমবার। পুণে ইনফোসিসের একজন প্রাক্তন কর্মচারী অভিযোগ করেন, সংস্থার ভিতরে নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠী হিন্দুদের লক্ষ্য করে ধর্মান্তরকরণ এবং ভাবাবেগে আঘাত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
টিসিএস নিয়ে গত মার্চ মাসে সংস্থার নাসিক শাখার এক মহিলা কর্মী বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন এক সহকর্মীর বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ আরও আটটি অভিযোগ পায়। সেখানে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসে। বলা হয়, সহকর্মীদের গোমাংস খেতে বাধ্য করা হত, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের পাশাপাশি যৌন নিগ্রহের মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনাও ঘটেছে। নাসিক পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) এই ঘটনায় মানবসম্পদ বিভাগের কর্ত্রী নিদা খানকে মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসাবে শনাক্ত করেছে।
