ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন জানাতে গিয়ে বিপাকে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেত্রী নেহা বোরা। শুক্রবার রাঁচিতে আন্দোলনের মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠলে তাঁকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল কালি! মুখে তাঁর গালে, চিবুকে কালি লেগে যায়। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে হামলাকারীকে আটক করে নিয়ে যায় থানায়। আক্রমণ সামলে নেহা নিজের বক্তব্য রাখেন। তারপর অবশ্য আইসা নেত্রীকে আন্দোলনস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। নেহার অভিযোগ, আরএসএস মদতপুষ্ট গুন্ডাবাহিনী তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে। তবে একাংশের মতে, দিল্লির 'ককরোচ' বিক্ষোভে নেহাদের উপস্থিতিতে দেশবিরোধী স্লোগান ওঠায় তাঁকে ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারেননি রাঁচির বিক্ষোভরত পড়ুয়ারা। তাতেই তাঁদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে কালি ছুড়ে। এর আগে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ চলাকালীন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেও কালি-হামলার শিকার হয়েছিলেন।
রাঁচিতে শুক্রবার পড়ুয়া বিক্ষোভে হাজির হন আইসার সর্বভারতীয় নেত্রী নেহা বোরা। তিনি মঞ্চে মাইক হাতে বক্তব্য রাখতে উঠলে আচমকা তাঁকে লক্ষ্য করে কালি ছোড়া হয়। মুখ, জামায় কালির দাগ লাগে। এরপরও অবশ্য তিনি নিজের বক্তব্যে আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থন জানান।বিপরীত মতাদর্শের আরএসএসের বিরুদ্ধে তিনি হামলার অভিযোগ তুলেছেন।
সরকারি পরীক্ষায় স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগের দাবিতে ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে চলছে ছাত্র আন্দোলন, অনেকটা দিল্লিতে 'ককরোচ' বিক্ষোভের আদলে। তবে দু'জায়গায় প্রতিবাদের ধরনে আদর্শগত ফারাক রয়েছে। রাঁচির বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের সমর্থনে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সেখানে যাওয়ার উদ্যোগ করেছিলেন। সেই বার্তা পৌঁছতেই রাঁচির পড়ুয়ারা সবিনয়ে জানিয়ে দেন, অভিজিতের আগমন অপ্রয়োজনীয়। দিল্লির মতো রাঁচিতে কোনও 'আজাদি' বা দেশবিরোধী স্লোগান উঠবে না। তাতে আন্দোলন কলঙ্কিত হবে, মূল লক্ষ্য থেকে সরে আসবে। এও জানানো হয়, শুধুমাত্র শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার দাবিতেই রাঁচিতে ছাত্র আন্দোলন চলছে। অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই।
এই অবস্থায় 'ককরোচ' সদস্যরা পিছিয়ে এলেও রাঁচিতে শুক্রবার ওই পড়ুয়া বিক্ষোভে হাজির হন আইসার সর্বভারতীয় নেত্রী নেহা বোরা। তিনি মঞ্চে মাইক হাতে বক্তব্য রাখতে উঠলে আচমকা তাঁকে লক্ষ্য করে কালি ছোড়া হয়। মুখ, জামায় কালির দাগ লাগে। এরপরও অবশ্য তিনি নিজের বক্তব্যে আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থন জানান।বিপরীত মতাদর্শের আরএসএসের বিরুদ্ধে তিনি হামলার অভিযোগ তুলেছেন। আগামী মঙ্গলবার নেহার আসার কথা কলকাতায়। এখানে আইসার একটি বড়সড় কর্মসূচি রয়েছে। রাঁচির ঘটনার পর নেহা বোরার নিরাপত্তা নিয়ে সংশয়ে পড়েছে সংগঠন।
