পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি একমাস গড়াতে চলেছে। ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধ এখন ছড়িয়ে পড়েছে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে। এখনও দেশে জ্বালানি তেল, এলপিজি গ্যাসের সংকট পুরোপুরি কাটেনি। এই পরিস্থিতিতে কোন রাজ্যের তৈলভাণ্ডার, গ্যাস মজুত কতটা, তা খতিয়ে দেখতে সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে জরুরি বৈঠকের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তিনি। বৃহস্পতিবার একথা জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে।
বাংলা-সহ ৫ রাজ্যে সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও আগামী এপ্রিলে ভোট। এসব রাজ্যে এই মুহূর্তে জারি আদর্শ আচরণবিধি। সেই কারণে এসব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বদলে মুখ্যসচিবরা বৈঠকে যোগ দেবেন বলে খবর।
তবে বাংলা-সহ ভোটমুখী ৫ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বদলে মুখ্যসচিবরা মোদির বৈঠকে যোগ দেবেন বলে খবর। তবে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা এই বৈঠক বয়কট করতে পারেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সূত্রের খবর এমনই। তৃণমূল বরাবর এনিয়ে সংসদে মোদির বিবৃতি দাবি করেছে। তাই তাদের দাবি, কোনও রুদ্ধদ্বার বৈঠকে রাজি নন তারা।
চলতি সপ্তাহের শুরুতেই সংসদের উভয় কক্ষে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর দাবি ছিল, এখনই জ্বালানির অভাব প্রকট হয়নি। তা সত্ত্বেও কেন্দ্র সরকার সতর্কতা অবলম্বন করেছে। যাতে দেশে গ্যাস, জ্বালানি তেলের অভাবে জনতার সমস্যা না হয়, তার জন্য ইথানল উৎপাদনে জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। তবে বাস্তব খানিকটা আলাদা। এখনও ঘরে ঘরে এলপিজি সরবরাহ নিয়মিত হয়নি। ২৫ দিনের আগে গ্যাস বুকিং করা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে রাজ্যে এলপিজি-র সংগ্রহ কেমন, তা খুঁটিনাটি জানতে প্রধানমন্ত্রী মোদি সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে জরুরি বৈঠকে ডেকেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ ভিডিও কনফারেন্সে এই বৈঠক করবেন।
বাংলা-সহ ৫ রাজ্যে সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও আগামী এপ্রিলে ভোট। এসব রাজ্যে এই মুহূর্তে জারি আদর্শ আচরণবিধি। সেই কারণে এসব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বদলে মুখ্যসচিবরা বৈঠকে যোগ দেবেন বলে খবর। যদিও এই বৈঠকে ভোটের কারণে রাজ্যের নয়া দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়াল যোগ দেবেন কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
