যুদ্ধের আঁচ এবার আইআরসিটিসির রান্নাঘরে। এলপিজি সিলিন্ডারের ব্যাপক ঘাটতির জের বড় পদক্ষেপের পথে আইআরসিটিসি। আপাতত দূরপাল্লার ট্রেনে নাও মিলতে পারে রান্না করা খাবার। জানা গিয়েছে, যারা টিকিটের সঙ্গেই খাবার বুক করেছিলেন, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়ার চিন্তাভাবনাও করা হচ্ছে। তবে শুকনো খাবার হয়তো মিলবে।
আপাতত দূরপাল্লার ট্রেনে নাও মিলতে পারে রান্না করা খাবার। জানা গিয়েছে, যারা টিকিটের সঙ্গেই খাবার বুক করেছিলেন, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়ার চিন্তাভাবনাও করা হচ্ছে।
দূরের যাত্রায় ট্রেনে খাবার নিয়ে এখন আর চিন্তা করতে হয় না। কারণ, ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (আইআরসিটিসি ) যাত্রীদের আসনে পৌঁছে দেয় খাবার। কিন্তু যুদ্ধের আবহে গ্যাসের ঘাটতি সর্বত্র। বুকিং করেও কেউ গ্যাস পাচ্ছেন না। যত সময় এগোচ্ছে, সমস্যা আরও বড় আকার ধারণ করছে। গ্যাসের ঘাটতি দেখা দিয়েছে আইআরসিটিসির রান্নাঘরেও। সেই কারণেই এবার বড় পদক্ষেপের পথে রেল। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্যান্ট্রিকারগুলো মূলত খাবার গরম করে পরিবেশন করে। কিন্তু রান্না হয় আইআরসিটিসির রান্নাঘরে। এলপিজির ঘাটতির ফলে আইআরসিটিসি-র সেই রান্নাঘরগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে এরপর সাময়িকভাবে ট্রেনে আর নাও মিলতে পারে রান্না করা খাবার। তবে যাত্রীদের স্বার্থে ইতিমধ্যেই আইআরসিটিসি রেলওয়ে স্টেশনগুলোতে ফুড প্লাজা, রিফ্রেশমেন্ট রুম এবং জন আহার আউটলেটগুলিকে বিকল্প পদ্ধতিতে রান্নার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, 'রেডি টু ইট' খাবার মজুত রাখার কথা বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মোদি সরকার আগেই জানিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইচ্ছামতো গ্যাস বুকিং করা যাবে না। প্রথমে বলা হয়, ২১ দিন অন্তর অন্তর গ্যাস বুক করা যাবে। মঙ্গলবার সেই নিয়মও বদলে বলা হয়েছে, গ্যাস বুকিং করতে হবে অন্তত ২৫ দিনের ব্যবধানে। কেন্দ্রের দাবি, এলপিজি গ্যাসের বাড়তি মজুত এবং কালোবাজারি রুখতেই বুকিং-সময়সীমা ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। সব তেল কোম্পানিগুলিকে ঘরোয়া বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য এলপিজি বা রান্নার গ্যাসের উৎপাদন চাঙ্গা রাখতে বলা হয়েছে।
