চলতি বছরেই কাশ্মীরে নির্বাচন, ইঙ্গিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের

08:27 PM Jun 17, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চলতি বছরের শেষের দিকেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে জম্মু ও কাশ্মীরে। শুক্রবার এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাৎপর্যপূর্ণ ভাব, গত মে মাসেই কেন্দ্রশাসিত প্রদেশটির আসন পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এবং ওই মাসেরই ২০ তারিখে বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা বলবৎ করে কেন্দ্র সরকার।

Advertisement

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782001027-0'); });

শুক্রবার জম্মুতে এক অনুষ্ঠানে রাজনাথ বলেন, “সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে জম্মু ও কাশ্মীরে নির্বাচন হলেও হতে পারে।” উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদ করা হয়। তারপরই সেখানে শান্তি ফিরেছে বলে দাবি করে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু সম্প্রতি কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপর একের পর এক হামলায় চরম বিপাকে পড়েছে শাসকদল বিজেপি। এছাড়া, সীমান্তে পাকিস্তানের উসকানি এবং কাশ্মীরে অমুসলিমদের উপর জেহাদিদের হামলা, সবমিলিয়ে প্রবল চাপের মুখে রয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। এহেন পরিস্থিতিতে কাশ্মীরে নির্বাচন নিয়ে মুখ খুলে এক নতুন জল্পনা উসকে দিলেন রাজনাথ।

[আরও পড়ুন: ‘লড়তে পারবেন এক আসনেই, নয়তো জরিমানা’, কেন্দ্রের কাছে নয়া সুপারিশ নির্বাচন কমিশনের]

উল্লেখ্য, জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu &Kashmir) যখন রাজ্য ছিল, তখন সব মিলিয়ে বিধানসভায় আসন সংখ্যা ছিল ১১১টি। যার মধ্যে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ছিল ২৪টি আসন। লাদাখে ছিল ৪টি। জম্মু ও কাশ্মীর মিলিয়ে ছিল ৮৩টি আসন। এবার আসন পুনর্বিন্যাসের ফলে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০টি। যার মধ্যে জম্মুর ৪৩টি আসন। কাশ্মীরের ঝুলিতে ৪৭টি। নয়া বিন্যাসে জম্মুতে আসন বেড়েছে ৬টি। কাশ্মীরে বেড়েছে ১টি। কাশ্মীরের ১টি আসন জম্মুতে চলে গিয়েছে। এই আসনগুলির মধ্যে তফসিলি উপজাতি ও জাতির জন্য আসন সংরক্ষিত রাখা হয়েছে যথাক্রমে ৯ ও ৭। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (POK) আসনগুলি শূন্যই রাখা হয়েছে। এছাড়া জম্মু ও কাশ্মীরের লোকসভায় ৫টি আসন থাকবে।

Advertising
Advertising

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782050143-0'); });

বিরোধীদের অভিযোগ, আসন পুনর্বিন্যাস করে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ জম্মুর আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে বিজেপি। এর একটাই উদ্দেশ্য, জম্মু ও কাশ্মীরে হিন্দুত্ববাদী সরকার গঠন করা। কিন্তু গেরুয়া শিবিরের দাবি, নিয়ম মেনে এবং জনসংখ্যা ও আয়তনের ভিত্তিতেই আসন পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

এদিন, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Rajnath Singh) হত্যার বিষয় নিয়েও মুখ খোলেন রাজনাথ। তিনি স্পষ্ট জানান, ১৯৯০-য়ের সেই ভয়াবহ দিনগুলি আর ফিরতে দেওয়া হবে না। কোনও ধর্মের কোনও মানুষকে আর উপত্যকা থেকে বিতাড়িত করতে দেওয়া হবে না। তাঁর অভিযোগ, কাশ্মীরের বাতাসে বিষ ছড়াচ্ছে পাকিস্তান। উপত্যকায় অমুসলিমদের উপর হামলার নেপথ্যে বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘লড়তে পারবেন এক আসনেই, নয়তো জরিমানা’, কেন্দ্রের কাছে নয়া সুপারিশ নির্বাচন কমিশনের]

Advertisement
Next