shono
Advertisement
Kalyan Banerjee

'একুশের সভায় লোক দেখেই আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার', মমতাকে সরাসরি আক্রমণ শানালেন কল্যাণ

নিন্দুকদের দাবি, যা পরিস্থিতি তাতে এখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিস্থিতি শান্ত করতে ময়দানে না নামলে কল্যাণও হাত ছাড়বেন। 
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 12:41 PM Jul 22, 2026Updated: 02:34 PM Jul 22, 2026

পালাবদলের পর ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে হাতে গোনা দু-একজন ছাড়া কেউ নেই। থেকে যাওয়াদের তালিকায় রয়েছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। তবে গত ২ মাসে একাধিকবার নেত্রী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে 'ফোঁস' করেছেন তিনি। পরবর্তীকালে তা মিটিয়ে 'দিদি'র পাশেও থেকেছেন। তবে একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে দলনেত্রী তাঁর সঙ্গে যা আচরণ করছেন তাতে ভীষণভাবে অপমানিত কল্যাণ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পর বুধবার দিল্লি থেকে ফের মমতা ও অভিষেককে আক্রমণ করলেন তিনি। দাবি করলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতেও একুশে জুলাইয়ে যা ভিড় হয়েছে তা দেখে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন মমতা। সেই কারণেই কল্যাণের সঙ্গে দুর্ব্যবহার! এতেই তুঙ্গে কল্যাণের দলত্যাগের জল্পনা। নিন্দুকদের দাবি, যা পরিস্থিতি তাতে এখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিস্থিতি শান্ত করতে ময়দানে না নামলে কল্যাণও হাত ছাড়বেন। 

Advertisement

বিষয়টা ঠিক কী? সীমিত লোকবল নিয়ে একুশে জুলাই শহিদ স্মরণের পর ‘কালীঘাট’ তৃণমূলের অন্দরে ফাটল আরও চওড়া হয়েছে। একুশের মঞ্চে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দীর্ঘ’ বক্তব্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরক্ত হন এবং পরবর্তীতে এনিয়ে প্রকাশ্যেই উভয়ের কথা কাটাকাটি হয়। এমনকী অনুষ্ঠান ছেড়ে চলেও যান কল্যাণ। সংবাদমাধ্যমে সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই মমতাকে নিশানা করে পালটা সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বর্ষীয়ান সাংসদ। সেখানেই থেমে থাকেননি কল্যাণ। মঙ্গলবার এ নিয়ে ফের মুখ খোলেন তিনি। বলেন, "আমার কোনওদিনই গুরুত্ব ছিল না। সবাই চলে যাওয়ায় আমি ছিলাম। একুশে জুলাইয়ে ভিড় দেখে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন। সেই কারণেই আবার আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার।" এখানেই থামেননি তিনি। বলেন, "কোন রক্তের সম্পর্কের জন্য মমতা নেত্রী হননি। উনি দল তৈরি করেছিলেন। উনিই শেষ করেছেন। সবসময় অভিষেক অভিষেক করলে চলবে না। ডেরেক অভিষেক যা বলবে তা হবে না। আমি আশি বা ২০ জনের মতো নেই।"

পাশাপাশি কল্যাণের জন্য দুই নেত্রী সভায় বক্তব্য রাখতে পারেননি বলে যে অভিযোগ উঠছে তা-ও উড়িয়ে দিয়েছেন সাংসদ। তাঁর দাবি, বক্তাদের তালিকায় ওই দু'জনের নাম জুড়েছিলেন তিনি। তাই বলতে না দেওয়ার কোনও কারণ নেই। উল্লেখ্য, গত ২ মাসে বঙ্গ রাজনীতির সমীকরণ পুরো বদলে গিয়েছে। কার্যত অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে একুশে জুলাই কালীঘাট তৃণমূলের কাছে যে শক্তিপরীক্ষার মঞ্চ ছিল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গতকালের জমায়েত খানিকটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে নেত্রীকে। তাতেই ফের পুরনো মেজাজ ফিরে এসেছে বলেই দাবি কল্যাণের। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement