shono
Advertisement
Karnataka

বলে বলে হয়রান, গাঁটের কড়ি খরচ করেই ৩.৫ কিমি রাস্তা সারাই কর্নাটকের 'বিরক্ত' কৃষকদের

প্রশাসনের ভরসায় বসে না থেকে এলাকার ১৫০ জন কৃষক সিদ্ধান্ত নেন নিজেরাই রাস্তা তৈরি করবেন। সেইমতো একর প্রতি ২০০০ টাকা করে চাঁদা দেন তাঁরা। ভাড়া করা হয় ট্রাক্টর, জেসিবি মেশিন। কাঁকর-বালি কিনে নিজেরাই নামেন রাস্তা সারাইয়ে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 04:52 PM Jun 23, 2026Updated: 05:31 PM Jun 23, 2026

বারবার দরবার করলেই, হচ্ছে-হবে এড়িয়ে গিয়েছে প্রশাসন। সরকারের গা ছাড়া মনোভাবে বিরক্ত হয়ে শেষে গাঁটের কড়ি খরচে রাস্তা তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেন কৃষকরা। ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা তুলে নিজেরাই কিনলেন পাথর, বালি। ভাড়া করা হল জেসিবি, ট্রাক্টর। এই ঘটনা ঘটেছে কর্নাটকের (Karnataka) বল্লার জেলায়। সাড়ে তিন কিলোমিটার রাস্তা সারাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে জোরকদমে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, প্রায় ৫০০ একর সেচযুক্ত জমিতে চাষের কাজের যাওয়ার জন্য সাড়ে তিন কিলোমিটার এই রাস্তাই ভরসা। তবে বছরের পর বছর ধরে রাস্তাটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে ছিল। সরকারি দপ্তর থেকে জন প্রতিনিধিদের কাছে বার বার কৃষকরা আবেদন জানিয়েছেন রাস্তাটি সারাইয়ের জন্য। তবে সে আর্জি কানে তোলেনি প্রশাসন। এদিকে রাস্তার এতটাই বেহাল দশা যে যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ঘটনার মুখে পড়তে হয়েছে কৃষকদের। আহত হয়েছেন তাঁরা। এই অবস্থায় প্রশাসনের ভরসায় বসে না থেকে এলাকার ১৫০ জন কৃষক সিদ্ধান্ত নেন নিজেরাই রাস্তা তৈরি করবেন। সেইমতো একর প্রতি ২০০০ টাকা করে চাঁদা দেন তাঁরা। ভাড়া করা হয় ট্রাক্টর, জেসিবি মেশিন। কাঁকর-বালি কিনে নিজেরাই নামেন রাস্তা সারাইয়ে।

তিন বছর আগে কৃষকরা নিজেরাই টাকা তুলে রাস্তাটি মেরামত করেছিলেন। তবে গত বছরের প্রবল বৃষ্টিতে আবার রাস্তাটি ভেঙে যায়।

কৃষকদের অভিযোগ, সারাই না হওয়ার কারণে রাস্তাটিতে গভীর গর্ত তৈরি হয়েছিল। যার জেরে বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। তিন বছর আগে তারা নিজেরাই টাকা তুলে রাস্তাটি মেরামত করেছিলেন। তবে গত বছরের প্রবল বৃষ্টিতে আবার রাস্তাটি ভেঙে যায়। পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হয়ে পড়ে। লোকেশ নামে এক কৃষক বলেন, 'সরকার আমাদের কোনও রকম সহযোগিতা করে না। খালের জল রাস্তায় এসে পড়ে এবং ভেঙে যায়। যার জেরে প্রতি বছর নিজেদের টাকায় রাস্তা সারাই করতে হয় আমাদের।'

কৃষকদের দাবি ছিল, সরকার তাঁদের জন্য সিমেন্টের কংক্রিটের রাস্তা নির্মাণ করে দিক। এর ফলে দুই-তিন বছর পর পর রাস্তা ভাঙার সমস্যা দূর হবে। এবং দীর্ঘস্থায়ী সমাধান মিলবে। তবে সরকার কৃষকদের কথা কানে না তোলায় শেষমেশ নিজেরাই টাকা খরচ করে রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement