সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্কঃ কুলভূষণ যাদবকে নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে মুখ পুড়েছে পাকিস্তানের৷ মামলার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি রনি আব্রাহাম৷ কিন্তু তাতেও পাকিস্তানের হম্বিতম্বি কমছে না৷ এই ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন পাকিস্তানে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও সেনাপ্রধান পারভেজ মুশারফ৷ তাঁর মতে, আজমল কাসভের থেকেও বড় জঙ্গি কুলভূষণ যাদব৷
[বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়ার অফিসে তল্লাশি পুলিশের ]
২০০৮ সালে মুম্বই শহরে জঙ্গি হামলা চালায় আজমল কাসভ ও তাঁর সঙ্গীরা৷ মৃত্যু হয় ১৬৪ জনের৷ বাকি জঙ্গিরা নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে মারা গেলেও, জীবিত অবস্থায় ধরা পড়ে কাসভ৷ তাঁকে মত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছিল বম্বে হাইকোর্ট৷ সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন কাসভের আইনজীবী৷ কিন্তু সুপ্রিম কোর্টও মৃত্যুদণ্ডের সাজাই বহাল রাখে৷ সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে পারভেজ মুশারফ বলেন, আজমল কাসভকে একটি বৃহত্তর ষড়য়ন্ত্রের বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল৷ কিন্তু কুলভূষণ যাদব সরাসরি সন্ত্রাসবাদে মদত দিচ্ছিল৷ যার জেরে বহু মানুষের মৃত্যু হতে পারত৷ তিনিও বলেন, কুলভূষণ যাদবের বিষয়টি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সঙ্গে জড়িত৷ তাই এ বিষযে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলাটি লড়া উচিত হয়নি ইসলামাবাদের৷
[বিতর্কিত ধর্ম প্রচারক জাকির নায়েককে নাগরিকত্ব দিল সৌদি আরব ]
চর সন্দেহে আটক করা হয় কুলভূষণ যাদবকে৷ তিনি ভারতীয় নৌ-সেনায় কর্মরত ছিলেন৷ অবসরগ্রহণের পর ইরানে ব্যবসা করতেন৷ বৈধ পাসপোর্ট থাকা সত্ত্বেও ভারতের গুপ্তচর সংস্থা র-র এজেন্ট সন্দেহে কুলভূষণকে আটক করা হয়৷ গত ১০ এপ্রিল ভারতীয় নৌসেনার এই প্রাক্তন অফিসারকে গুপ্তচরের তকমা দিয়ে কার্যত বিনা বিচারে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায় পাকিস্তানের সামরিক আদালত৷ এ বিষযে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ভারত৷ ভারত অন্তত ১৬ বার ইসলামাবাদের কুলভূষণের কনস্যুলার অ্যাকসেস চায়৷ কিন্তু প্রতিবারই আবেদন ফিরিয়ে দেয় পাকিস্তান৷ শেষপর্যন্ত 8 মে এই ইস্যুতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হয় ভারত৷ দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর পাকিস্তান কার্যত তুলোধোনা করে কুলভূষণের ফাঁসির নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করে আন্তর্জাতিক আদালত৷
The post ‘কাসভের থেকে বড় জঙ্গি কুলভূষণ’ appeared first on Sangbad Pratidin.
