দেখতে দেখতে একবছর পেরিয়ে গিয়েছে কুণাল কামরার (Kunal Kamra) 'শিণ্ডে' বিতর্কে জড়িয়ে পড়ার। কিন্তু আজও তাঁর মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখিত নন বলেই জানিয়ে দিলেন জনপ্রিয় কৌতুক শিল্পী। মহারাষ্ট্রের বিধানসভার প্রিভিলেজ কমিটির সামনে এই সংক্রান্ত শুনানিতে কুণাল জানিয়ে দিলেন, তিনি ক্ষমা চাইতে নারাজ।
গত বছরের মার্চে মুম্বইয়ের এক হোটেলে কৌতুক পরিবেশনের সময় শিব সেনার দ্বিখণ্ডিত হওয়াকে ব্যাঙ্গ করেন কুণাল। নাম না করে একনাথ শিণ্ডেকে (Eknath Shinde) ‘গদ্দার’ বলেন। জনপ্রিয় হিন্দি গানের প্যারোডির সেই ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই তেতে ওঠেন শিণ্ডে সমর্থকরা। গোটা মার্চ মাস জুড়ে সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি সরগরম ছিল। সেই রেশ অবশ্য এখনও কাটেনি।
গত বছর কুণালের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিতর্ক তুমুল হয়ে ওঠে। কামরার ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, শিণ্ডে ইস্যুতে কমপক্ষে ‘৫০০টি হুমকি ফোন’ পান তিনি। যে হোটেলে এই শো রেকর্ড করা হয়েছিল, সেখানেও হামলা চালায় শিব সেনা (শিণ্ডে) সমর্থকরা।
কুণালকে প্রিভিলেজ নোটিস পাঠানোর পরও তিনি সাড়া দেননি। এরপর গত মঙ্গলবার তাঁকে কমিটির সামনে ডেকে পাঠানো হয়। সেই বিষয়ে নিজেই সোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন শিল্পী। এক্স হ্যান্ডলে তাঁকে লিখতে দেখা গিয়েছে, 'যেভাবে আমি ক্রস এগজামিনেশনে আমাকে করা শেষ তিনটে প্রশ্নকে মনে রাখব- আপনার কোনও আপসোস আছে? না। যা বলেছেন সেজন্য আপনি কি দুঃখিত? না। আপনি যদি নিঃশর্ত ক্ষমা চান তাহলে বিষয়টিকে অন্যভাবে দেখা হবে। না। আমি ক্ষমা চাইব না কারণ সেটা আন্তরিক হবে না। তাছাড়া এতে অন্য শিল্পী ও তাঁদের স্বাধীনতার জন্য ভয়ংকর নজির তৈরি হবে।'
গত বছর কুণালের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিতর্ক তুমুল হয়ে ওঠে। কামরার ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, শিণ্ডে ইস্যুতে কমপক্ষে ‘৫০০টি হুমকি ফোন’ পান তিনি। যে হোটেলে এই শো রেকর্ড করা হয়েছিল, সেখানেও হামলা চালায় শিব সেনা (শিণ্ডে) সমর্থকরা। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিসেরও রোষের মুখে পড়েন কুণাল। ফড়ণবিসের দাবি ছিল, অবিলম্বে কুণালের ক্ষমা চাওয়া উচিত। যদিও নিজের বক্তব্যে অনড় থেকে কুণাল জানিয়ে গিয়েছেন, ক্ষমা তিনি চাইবেন না। এক বছর পরও নিজের সেই মন্তব্য থেকে তিনি সরছেন না বলেই জানিয়ে দিলেন শিল্পী।
