shono
Advertisement
Abhishek Banerjee

দল বাঁচানোর শেষ সুযোগ! কালীঘাটের পক্ষ শুনতে অভিষেককে ডাকলেন স্পিকার, চাপে পড়বেন বিদ্রোহীরা?

দল বাঁচানোর লড়াইয়ে একটা লাইফলাইন পেয়ে গেলেন কালীঘাট তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলে বিদ্রোহ নিয়ে মতামত জানতে অভিষেককে ডেকে পাঠালেন স্পিকার ওম বিড়লা।
Published By: Subhajit MandalPosted: 04:38 PM Jun 17, 2026Updated: 05:08 PM Jun 17, 2026

দলে ভাঙন। একযোগে ২০ সাংসদ তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা এখনও জোড়াফুল প্রতীক ও সম্পত্তির দাবিতে অনড়। এই পরিস্থিতিতে দল বাঁচানোর লড়াইয়ে একটা লাইফলাইন পেয়ে গেলেন কালীঘাট তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। দলে বিদ্রোহ নিয়ে মতামত জানতে অভিষেককে ডেকে পাঠালেন স্পিকার ওম বিড়লা। আগামী ১৯ জুন শুক্রবার অভিষেককে দিল্লিতে নিজের অফিসে ডেকেছেন স্পিকার। ওম বিড়লা আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, দুই পক্ষের মতামত না শুনে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন না।

Advertisement

গত রবিবার দিল্লিতে যে বেনজিরভাবে তৃণমূলের সংসদীয় দল ভেঙে খান খান হয়েছে, সেটা রুখে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন অভিষেক। বিদ্রোহীরা স্পিকারকে চিঠি দেওয়ার আগেই তৃণমূলের দলনেতা হিসাবে অভিষেক ওম বিড়লাকে চিঠি লেখেন। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ দাবি করেন, বিদ্রোহীরা যদি নিজেদের আলাদা ব্লক বা আসল তৃণমূল বলে দাবি করেন, তাহলে সেটাতে যেন স্বীকৃতি না দেওয়া হয়। স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা সংবিধান বিরোধী হবে।

 

গত রবিবার দিল্লিতে যে বেনজিরভাবে তৃণমূলের সংসদীয় দল ভেঙে খান খান হয়েছে, সেটা রুখে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন অভিষেক। বিদ্রোহীরা স্পিকারকে চিঠি দেওয়ার আগেই তৃণমূলের দলনেতা হিসাবে অভিষেক ওম বিড়লাকে চিঠি লেখেন। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ দাবি করেন, বিদ্রোহীরা যদি নিজেদের আলাদা ব্লক বা আসল তৃণমূল বলে দাবি করেন, তাহলে সেটাতে যেন স্বীকৃতি না দেওয়া হয়। স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা সংবিধান বিরোধী হবে। তখনই স্পিকার ওম বিড়লা জানিয়ে দেন, দু'পক্ষের কথা না শুনে তিনি কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না।

কিন্তু এরপর কাহানি মে টুইস্ট। দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খোয়াতে হতে পারে এই আশঙ্কায় পালটা চাল দেন সাংসদরা। তাঁরা আলাদা ব্লক বা নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি না করে অজ্ঞাতকূলশীল একটি দলে সংযুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। জানিয়ে দেন তাঁরা তৃণমূলের সাংসদদের সঙ্গে বসবেন না। লোকসভায় সমর্থন করবেন এনডিএ-কে। ওই সাংসদদের নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে আগামী ২০ জুলাই সংসদের অধিবেশনের আগে। তার আগে অভিষেকের বক্তব্যও শুনতে চান স্পিকার। যাতে অন্তত প্রকাশ্যে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা যায়।

অবশ্য অভিষেককে এই যে প্রথম বৈঠকে ডাকলেন ওম বিড়লা, এমনটা নয়। এর আগে গত সোমবার যখন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে যখন ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করছে তখন অভিষেকের সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে মেইল করেন স্পিকার। দু'ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে দিল্লির অফিসে দেখা করতে বলা হয়। কিন্তু ইডির জিজ্ঞাসাবাদ চলায় অভিষেক সেই মেইল দেখতে পাননি। পরে তড়িঘড়ি কীর্তি আজাদ স্পিকারের অফিসে গিয়ে জানিয়ে আসেন, এত কম সময়ের নোটিসে অভিষেকের পক্ষে দিল্লি আসা সম্ভব নয়। তিনি তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা করছেন। তাঁকে অন্যদিন সময় দেওয়া হোক। সেই আর্জি মানলেন স্পিকার। এবার ওম বিড়লার সামনে গিয়ে নিজের পক্ষ রাখার সুযোগ পাবেন অভিষেক। তিনি যে বিদ্রোহীদের পদ কেড়ে নেওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করবেন, সেটাই প্রত্যাশিত। এখন দেখার ওই সাক্ষাতের পর বিদ্রোহীদের চাপ বাড়ে কিনা?

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement