shono
Advertisement
Madhya Pradesh

কার্বাইড বন্দুকে আহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২০! 'নিষিদ্ধ বিস্ফোরক', হাসপাতাল থেকেই ঘোষণা মোহন যাদবের

জানা গিয়েছে, প্রায় ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে আহতরা শিশু।
Published By: Anustup Roy BarmanPosted: 12:54 PM Oct 25, 2025Updated: 12:54 PM Oct 25, 2025

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবছরের দীপাবলি বহু মানুষের জন্য অত্যন্ত দুঃখের। মধ্যপ্রদেশে দৃষ্টি হারিয়েছে ৩২০ জন। নেপথ্যে দেশি খেলনা বন্দুক যার পোশাকি নাম 'কার্বাইড গান'। আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। কার্বাইড বন্দুক নিষিদ্ধ বিস্ফোরক বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে এই বাজি নিষিদ্ধ করেছে সরকার। 

Advertisement

মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশে। এই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় টিন অথবা পাইপের তৈরি কার্বাইড বন্দুক নিয়ে খেলতে গিয়ে চোখ এবং শরীরে বিভিন্ন অঙ্গে মারাত্মক আঘাত নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে শিশুরা। আহতদের মধ্যে চোখের আঘাতের সংখ্যাই বেশি। মধ্যপ্রদেশজুড়ে ৩২০ জন ইতিমধ্যেই দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। ভোপাল এবং এর আশপাশের অঞ্চল থেকেই ১৮৬টি ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছে। এরপরেই রয়েছে গোয়ালিয়র। সেখানে ৩৫টি ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, প্রায় ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে আহত হয়েছে শিশুরা। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, অনেকের দৃষ্টিশক্তি ফিরতে প্রায় ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব শুক্রবার সন্ধ্যায় হামিদিয়া হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যজুড়ে এই বাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী যাদব জানিয়েছেন, কার্বাইড বন্দুকগুলিকে অস্ত্র আইন (১৯৫৯), বিস্ফোরক আইন (১৮৮৪) এবং বিস্ফোরক পদার্থ আইন (১৯০৮) এর অধীনে নিষিদ্ধ বিস্ফোরক হিসেবে গণ্য করা হবে।

রাজ্যের সব জেলায় নির্দেশ জারি করে অবিলম্বে কার্বাইড বন্দুক তৈরি করা, বিক্রি এবং ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাজ্য সরকার, এই বাজির বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক প্রচারও শুরু করেছে। এই 'কারবাইড গানে'র বিক্রির বিরুদ্ধে পুলিশ এখনও পর্যন্ত ভোপালে ছ'টি, বিদিশায় আটটি এবং গোয়ালিয়রে একটি এফআইআর করেছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • মধ্যপ্রদেশে দৃষ্টি হারিয়েছে ৩২০ জন।
  • নেপথ্যে দেশি খেলনা বন্দুক যার পোশাকি নাম 'কার্বাইড গান'।
  • চোখের আঘাত নিয়ে ভর্তির সংখ্যাই বেশি।
Advertisement