বিমান দুর্ঘটনায় প্রয়াত মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার। বুধবার সকালে আচমকাই ভেঙে পড়ে তাঁর ব্যক্তিগত বিমান। সেখানে অজিতের সঙ্গে ছিলেন আরও চারজন। মুম্বই থেকে বারামতি যাওয়ার পথে আচমকাই ভেঙে পড়ে তাঁদের বিমান। ডিজিসিএর তরফ থেকে জানানো হয়, মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী-সহ বিমানে থাকা সকলেরই মৃত্যু হয়েছে। উল্লেখ্য, বারামতি থেকেই বিধায়ক হয়ে উপমুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছিলেন অজিত। নিজের কেন্দ্রে পৌঁছতে গিয়েই শেষ হয়ে গেল তাঁর জীবন।
মঙ্গলবার মুম্বইয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন শরদ পওয়ারের ভাইপো তথা উপমুখ্যমন্ত্রী ৬৬ বছর বয়সি অজিত পওয়ার। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর বুধবার বারামতিতে এক রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল তাঁর। সেই সভায় যোগ দিতেই বুধবার সকালে মুম্বই থেকে ব্যক্তিগত বিমানে চেপে বারামতির দিকে রওনা দেন। গন্তব্যের কাছে পৌঁছে গিয়েই সম্ভবত বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। জরুরি অবতরণ করতে গিয়েই বিমানটি ভয়ংকরভাবে আছড়ে পড়ে।
প্রাথমিকভাবে পাওয়া খবর অনুযায়ী, সকাল পৌনে ন'টা নাগাদ বারামতিতে ভেঙে পড়ে অজিতের বিমান। সঙ্গে সঙ্গে দাউদাউ করে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিমানটি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। গুরুতর চোট লাগে অজিতের। আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বলেই জানা গিয়েছে। তবে শেষরক্ষা হয়নি। ডিজিসিএর তরফ থেকে অজিতের মৃত্যুসংবাদ ঘোষণা করা হয়। ওই বিমানে ছিলেন দু'জন বিমানকর্মী। ছিলেন অজিতের দুই আধিকারিকও। সকলেরই মৃত্যু হয়েছে ভয়ংকর দুর্ঘটনায়।
দাদার মৃত্যুসংবাদ পেয়ে রাজনৈতিক বিবাদ ভুলে ছুটে গিয়েছেন শরদ পওয়ারের কন্যা সুপ্রিয়া সুলে। একের পর এক নেতা শোকপ্রকাশ করেছেন অজিতের প্রয়াণে। জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসকে ফোন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উল্লেখ্য, জীবনের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বারামতিরই জনপ্রতিনিধি ছিলেন অজিত। সাংসদ, বিধায়ক-সমস্ত পদ পেয়েছেন বারামতি থেকে। তাঁর জীবনও শেষ হল ওই বারামতিতেই।
