'নতুন তৃণমূল' নাকি এবার সরাসরি বিজেপিতে! দিল্লির দরবারে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে বিস্তর জল্পনা। আর এই জল্পনার মধ্যেই তৃণমূলের অন্তত ২১ জন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন। আর তা আজ, সোমবারই। অস্তিত্ব রক্ষায় রবিবারই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। চলছে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক।এরমধ্যেই এই দলবদল হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তার আগে দিল্লিতে গোপন বৈঠক সেরেছেন তৃণমূলের অন্তত ২১ বিদ্রোহী সাংসদ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, অসীত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ চক্রবর্তী, আবু তাহের, সুখেন্দু শেখর, শর্মীলা সরকার, খলিলুর রহমান, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া-সহ আরও বেশ কয়েকজন। আর এই বৈঠকের পরেই বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে পৌঁছেছেন তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' বিধায়করা। যেখানে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিপ্লব দেব-সহ একাধিক নেতা। পরিষদীয় দলের পর এবার সংসদীয় দলও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতছাড়া সময়ের অপেক্ষা বলেই মত রাজনৈতিকমহলের।
দিল্লিতে গোপন বৈঠক সেরেছেন তৃণমূলের অন্তত ২১ বিদ্রোহী সাংসদ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, অসীত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ চক্রবর্তী, আবু তাহের, সুখেন্দু শেখর, শর্মীলা সরকার, খলিলুর রহমান, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া-সহ আরও বেশ কয়েকজন। আর এই বৈঠকের পরেই বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে পৌঁছেছেন তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' বিধায়করা।
বাংলার বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ইতিমধ্যে ‘নতুন তৃণমূল’ তৈরি হয়েছে। এরপরেই দিল্লি দরবারে বেড়েছে উত্তেজনার পারদ। বিশেষ করে গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক বিক্ষুব্ধ সাংসদদের তৎপরতা ঘিরে জোরদার হয় জল্পনা। জানা যায়, কেউ কেউ রাজধানীর অভিজাত পাঁচতারা হোটেলে ছোট ছোট দলে অবস্থান করেন, আবার কেউ ছিলেন নিজেদের সরকারি বাসভবনে। রবিবার দিনভর একাধিক দফায় গ্রুপ কল এবং বৈঠকের মাধ্যমে পরবর্তী কৌশল নিয়ে আলোচনা চলে বলে সূত্রের খবর। সোমবার সকালেও আরও কয়েক জন সাংসদ দিল্লিতে এসে এই শিবিরে যোগ দেন। এরপরেই ওই বৈঠক হয় বলে খবর।
এদিকে বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশলের একটি মন্তব্য ঘিরে দলবদলের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। রবিবার বনশল বলেন, “একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না। হিন্দুদের কেউ যেন সংগঠনের বাইরে না থাকে। সব হিন্দুদের একত্রিত করতে হবে, এক ছাতার তলায় আনতে হবে।” তবে সংগঠনের জুড়ে ফেললেই যে কাজ শেষ নয়, সেকথাও বলেন বনশল। তাঁর কথায়, “সকলে যে সংগঠনকে ভালোবেসে আসবেন, তা নয়। কেউ নিজের স্বার্থেও বিজেপিতে আসার চেষ্টা করবেন। তাঁর চিন্তাভাবনা যেমনই হোক না কেন, আসার পর আমাদের সঙ্গে কাজ করতে করতে আমাদের বিচারধারা মেনে সারাজীবন যাতে কাজ করেন, তেমন করে তৈরি করে নেওয়ার দায়িত্ব বিজেপির।”
