দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক শেষে কমিশনকে একহাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলেই অভিযোগ মমতার। তিনি বলেন, "জমিদারের মতো আচরণ, ওরা উদ্ধত, অহংকারী, মিথ্যাবাদী।"
সোমবার দিল্লির নির্বাচন সদনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: তৃণমূল কংগ্রেসের এক্স হ্যান্ডেল থেকে
এসআইআর নিয়ে জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক করতে রবিবারই দিল্লি পৌঁছেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দলের অন্যান্য সাংসদ ও এসআইআরে ক্ষতিগ্রস্তদের নিয়ে নির্বাচন সদনে যান মমতা। প্রায় সোওয়া ১ ঘণ্টা বৈঠকের পর বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠক থেকে কমিশনকে একহাত নেন তিনি। বলেন, ‘‘আমি অনেক দিন দিল্লিতে রাজনীতি করেছি। মন্ত্রীও ছিলাম। কিন্তু এত দিনে এমন অহংকারী নির্বাচন কমিশন দেখিনি।’’কমিশনকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে আক্রমণ করে মমতা বলেন, ‘‘কেন বাংলাকে নিশানা করা হচ্ছে?’’
মমতা বলেন, ‘‘আমি অনেক দিন দিল্লিতে রাজনীতি করেছি। মন্ত্রীও ছিলাম। কিন্তু এত দিনে এমন অহংকারী নির্বাচন কমিশন দেখিনি।’’কমিশনকে ‘মিথ্যাবাদী’ বলে আক্রমণ করে মমতা বলেন, ‘‘কেন বাংলাকে নিশানা করা হচ্ছে?’’
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, "জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক বয়কট করে বেরিয়ে এসেছি। ওনার জমিদারের মতো আচরণ। এরকম দুর্ব্যবহার আমাদের সঙ্গে কেউ কখনও করেনি। আমাদের অসম্মান, অপমান করা হয়েছে।" এদিন ফের কমিশনকে মমতা প্রশ্ন করেন কেন নির্বাচনের তিন মাস আগে এসআইআর করতে হল? অসমে কেন করা হল না? মমতা বলেন, "এখানে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এআই দিয়ে সীমা খান্না এই কাজ করেছেন। আমি বলছি আপনারা প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করুন, ওনার বাবা-মায়ের জন্ম তারিখ জানেন কি।’’ লালকৃষ্ণ আদবাণীকেও কি এসআইআরের সম্মুখীন হতে হবে? সেই প্রশ্নও তুললেন তিনি।
এরপরই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বয়কট করার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মমতা। তবে এবার কী পদক্ষেপ করবে তৃণমূল? এখনও তা স্পষ্ট করেননি মমতা। তিনি জানালেন, আজ অর্থাৎ সোমবার দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে। আগামিকাল কর্মসূচি জানানো হবে, বললেন মমতা।
