বিহারের ভাগলপুর জেলার নওগাছিয়াতে একসঙ্গে উদ্ধার হল ১৫০-রও বেশি কাকের মৃতদেহ! গোটা ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে কাকগুলির মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু পরে জানা যায়, বার্ড ফ্লু-তে আক্রান্ত হয়েই প্রাণ হারিয়েছে এত কাক।
জানা গিয়েছে, গত ১১ জানুয়ারি এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁরা দেখেন এলাকার বিভিন্ন জায়গায় শয়ে শয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে কাকের মৃতদেহ। শুধু তা-ই নয়, কাকা ছাড়াও বহু পাখি সেখানে অসুস্থ অবস্থায় পড়েছিলেন বলে খবর। এরপরই হইচই পড়ে যায়। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছন বনদপ্তরের আধিকারিকরা। মৃতদেহগুলিকে উদ্ধার করে নিয়ে যান তাঁরা। এরপরই বন দপ্তর এবং পশুপালন দপ্তরের একটি যৌথ দল নমুনা সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছন। সংগৃহীত সিরাম নমুনাগুলি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় পাটনা এবং ভোপালের বিশেষ পরীক্ষাগারে।
পশুপালন দপ্তরের আধিকারিক অঞ্জলি কুমারী বলেন, “সম্প্রতি পরীক্ষার রিপোর্টটি হাতে এসেছে। সেখানে জানা গিয়েছে, অ্যাভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু-তে আক্রান্ত হয়েই এত কাকের মৃত্যু হয়েছে।” বার্ড ফ্লু-র বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই গোটা জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
