গুজরাটে জোড়া খুন। মেয়ে ও তাঁর প্রেমিককে খুন করলেন বাবা। মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে আপত্তি ছিল প্রৌঢ়ের। এই নিয়ে পরিবারিক কলহ লেগেই থাকত। শেষ পর্যন্ত রাগের চোটে মেয়ে ও তাঁর প্রেমিককে পরিকল্পনা করে খুন করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি। এমনকী দেহ লোপাট করে দেন। যদিও শেষ পর্যন্ত পুলিশি তদন্তে ধরা পড়ে গেলেন অভিযুক্ত।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কচ্ছেরের নখাত্রানা এলাকার। অভিযুক্ত ব্যক্তির ১৯ বছরের মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ছোটে আঙ্গিয়ার। এই পরিবারিক কলহের মধ্যে ৩ ফেব্রুয়ারি বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় যুগল। এর পরেই তাঁদের খুনের ষড়যন্ত্র করেন অভিযুক্ত। তিনি ফোনে যোগাযোগ করেন মেয়ের সঙ্গে। রাগ না দেখিয়ে অশান্তি মিটিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন। দেখা করার প্রস্তাব দেন। মেয়ে-জামাই ঘুণাক্ষরে বুঝতে পারেননি নেপথ্যের ঠান্ডা রক্তস্রোত।
বাবার কথায় রাজি হয়ে কোটড়া এবং খাম্বালার মাঝামাঝি এক নির্জন স্থানে দেখা করতে আসেন ওই যুগল। অভিযোগ, সে সময়ই দু’জনকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন অভিযুক্ত। খুনের পর দু’জনের দেহ ১০০ ফুট গভীর এক কুয়োয় ফেলে দেন অভিযুক্ত। এর পর পরিকল্পনা মতো চোখেমুখে আতঙ্কের ভাব এনে স্থানীয় থানায় মেয়ের নিখোঁজ ডায়েরি করেন।
প্রাথমিক ভাবে বিভ্রান্ত হয় পুলিশ। কিন্তু বারবার জিজ্ঞাসাবাদে ধরা পড়ে বয়ানে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। শেষ পর্যন্ত লাগাতার জেরার মুখে খুনের কথা স্বীকার করেন পৌঢ়। তাঁর কথা মতো কুয়ো থেকে মেয়ে ও তাঁর প্রেমিকের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় আরও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি অভিযুক্তের আত্মীয়। হত্যার ষড়যন্ত্রে সাহায্য় করেছিলেন।
