সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেঘালয়ে মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে স্বামী রাজা রঘুবংশীকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্ত্রী সোনম। এখনও পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডে মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে উঠে আসছে নানা তথ্য। এবার যে হোমস্টেতে ছিলেন ওই দম্পতি, তার মালিক দাবি করলেন, চেক ইন করার পরই কয়েক ঘণ্টার জন্য উধাও হয়ে গিয়েছিলেন দু'জনে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের সঙ্গে কথা বলার সময় শিপারা হোমস্টের মালিক কনস্ট্যানটাইন দাবি করেছেন, ২২ মে ওখানে চেক ইন করেন রাজা-সোনম। আর তারপরই তাঁরা সেখান থেকে বেরিয়ে যান। একেবারে রাতে ফিরে আসেন। হোমস্টের মালিকের কথায়, ''ওঁরা বেরিয়ে গিয়েছিলেন গাইড ছাড়াই। আমার ধারণা, এই গ্রামে এলেই পর্যটকরা যেমন রুট ব্রিজ দেখতে যান, ওঁরাও তাই গিয়েছিলেন।'' তবে বেরবার আগে কফি খেয়েছিলেন দু'জনে। ফিরে এসে রাজা তাঁকে ঘরভাড়া বাবদ ১ হাজার টাকা, কফির ৮০ টাকা এবং নৈশভোজের জন্য ৩০০ টাকা দেন বলেও জানিয়েছেন কনস্ট্যানটাইন।
পাশাপাশি তিনি আরও জানিয়েছেন, পরদিন ভোরে তাঁদের ঘুম থেকে ডেকে তোলেন ওই দম্পতি। তাঁর কথায়, ''আমাদের অতিথিদের এত তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা অস্বাভাবিকই। ওঁরা আমাদের দরজায় কড়া নাড়তেই আমি আমার স্ত্রীকে জাগিয়ে জিজ্ঞাসা করতে বলি যে, তাঁদের প্রাতঃরাশের প্রয়োজন কিনা। কিন্তু ওঁরা বলেন, যে তাঁরা চেক আউট করতে চান।''
উল্লেখ্য, গত ২০ মে মধুচন্দ্রিমায় মেঘালয়ে ঘুরতে যান নবদম্পতি রাজা ও সোনম। ২৩ মে চেরাপুঞ্জিতে পৌঁছনোর পর নিখোঁজ হয়ে যান দম্পতি। এই ঘটনার ১১ দিন পর জলপ্রপাতের খাদ থেকে উদ্ধার হয় রাজার দেহ। তবে খোঁজ মেলেনি সোনমের। এরই মাঝে সোমবার গাজিপুর থেকে নিজের বাড়িতে ফোন করেন সোনম। এরপরই তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। সোনমের বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
