দেশের রেলব্যবস্থায় কার্যত বিপ্লব ঘটিয়ে চালু হয়েছে হাইড্রোজেন ট্রেন। হরিয়ানার জিন্দ থেকে সোনিপত প্রায় ৮১ কিলোমিটার দূরত্বে চলবে হাইস্পিড ট্রেন। গত শুক্রবার এর উদ্বোধন করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বেশি দূরত্ব খুব কম সময়ের মধ্যে পৌঁছে যাওয়া যাবে। কিন্তু তাই বলে এমনটা ভাবার কারণ নেই যে এর জন্য অতিরিক্ত ভাড়া লাগবে, তেমনটা নয়। বরহং উলটোটাই। অর্থাৎ জলের দরেই আপনি হাইড্রোজেন ট্রেনে সফর করতে পারবেন। সম্প্রতি ভাড়ার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তাতে জানা যাচ্ছে, একটি প্ল্যাটফর্ম টিকিটের দাম অর্থাৎ মাত্র ৫ টাকা দিয়ে টিকিট কাটলেই আপনি এই ট্রেনে চড়ার আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।
উন্নত রেল ব্যবস্থা মানেই চড়া ব্যয় নয়। হাইড্রোজেন ট্রেনের টিকিটের দাম সাধারণের সাধ্যের মধ্যে রেখে সেকথা প্রমাণ করল কেন্দ্র। মাত্র ৫ টাকার টিকিট কেটে এই ট্রেনে উঠে যাওয়া যাবে ন্যূনতম দূরত্ব। আর সর্বোচ্চ ভাড়া ২৫ টাকা। শিয়ালদহ কিংবা হাওড়া শাখার সর্বোচ্চ ভাড়ার চেয়ে ঢের কম দাম। এই ট্রেনের গতি ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ তা ১১০ পর্যন্ত হতে পারে। মাত্র ৫ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে জিন্দ থেকে সোনিপতের যে কোনও স্টেশনে আপনি অনায়াসে যাতায়াত করতে পারবেন।
উন্নত রেল ব্যবস্থা মানেই চড়া ব্যয় নয়। হাইড্রোজেন ট্রেনের টিকিটের দাম সাধারণের সাধ্যের মধ্যে রেখে সেকথা প্রমাণ করল কেন্দ্র। মাত্র ৫ টাকার টিকিট কেটে এই ট্রেনে উঠে যাওয়া যাবে ন্যূনতম দূরত্ব। আর সর্বোচ্চ ভাড়া ২৫ টাকা। শিয়ালদহ কিংবা হাওড়া শাখার সর্বোচ্চ ভাড়ার চেয়ে ঢের কম দাম। এই ট্রেনের গতি ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ তা ১১০ পর্যন্ত হতে পারে। মাত্র ৫ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে জিন্দ থেকে সোনিপতের যে কোনও স্টেশনে আপনি অনায়াসে যাতায়াত করতে পারবেন। এই দামের তালিকা হাতে পেয়ে খুশি হরিয়ানাবাসী। পকেটের উপর বাড়তি চাপও হবে না, আবার অত্যাধুনিক রেলে সফরও করা যাবে, এতেই স্বস্তি তাঁদের।
কেন হাইড্রোজেন ট্রেন নিয়ে এত উত্তেজনা? এই ট্রেন চালু হওয়ায় জাপান, চিন, জার্মানি, আমেরিকার সঙ্গে এক সারিতে বসল ভারতও। ১০ কোচের অত্যাধুনিক ট্রেন চলে হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রযুক্তিতে। এতে ২টি ড্রাইভিং পাওয়ার কার এবং ৮টি ট্রেইলার কোচ রয়েছে। ট্রেনের চালিকাশক্তি ১২০০ কিলোওয়াটের ‘প্রোটন এক্সচেঞ্জ মেমব্রেন ফুয়েল সেল’। এই প্রযুক্তিতে উচ্চচাপে থাকা সিলিন্ডার থেকে হাইড্রোজেন গ্যাস ও বাতাসের অক্সিজেন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার। কিন্তু এর ডিজাইন স্পিড ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার। একসঙ্গে প্রায় ২৬০০ যাত্রী এই ট্রেনে যাতায়াত করতে পারবেন। মাত্র ৫ টাকায় এত সুবিধা কেউ কি ছেড়ে দেবেন?
