অবশেষে সংসদে পৃথক দলের স্বীকৃতি পেল এনসিপিআই। তৃণমূল ছেড়ে আসা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের হাত ধরে এই প্রথম এমন স্বীকৃতি এল উত্তর-পূর্ব ভারতের অনামী দলটি। এনসিপিআই-কে চিঠি লিখে সর্বদল বৈঠকে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। চিঠিতে দলবদলের কথাও উল্লেখ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ২০ জুলাই থেকে সংসদে শুরু হচ্ছে বাদল অধিবেশন। তার আগে রবিবার, ১৯ জুলাই নতুন সংসদ ভবনের অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ের কমিটি রুমে সর্বদল বৈঠক। তাতে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আর এতেই স্পষ্ট, এনসিপিআই-কে আলাদা রাজনৈতিক দলের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। অধিবেশনে তাঁদের বসার জন্য আলাদা আসনও সংরক্ষিত হয়েছে বলে খবর।
চিঠিতে কিরেণ রিজিজু স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ১৯ জন তৃণমূল সাংসদ দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ এবং পৃথক দলের স্বীকৃতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের জন্য আলাদা আসনপ্রাপ্তি হয়েছে লোকসভায়। নতুন এনসিপিআই দলের সংসদীয় দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুখ্য সচেতক কাকলি ঘোষ দস্তিদার। আগে তৃণমূলে থাকাকালীনও সুদীপ-কাকলি একই দায়িত্ব সামলেছেন লোকসভায়। এই দলের উপ দলনেত্রী বীরভূমের চারবারের সাংসদ শতাব্দী রায়। সর্বদল বৈঠকে যোগদানের চিঠিতে তাঁদের সকলের নাম ও পদ উল্লেখ করেছেন কিরেণ রিজিজু।
এনসিপিআই সাংসদদের সর্বদল বৈঠকের চিঠি কিরেণ রিজিজুর
চিঠিতে কিরেণ রিজিজু স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ১৯ জন তৃণমূল সাংসদ দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ এবং পৃথক দলের স্বীকৃতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের জন্য আলাদা আসনপ্রাপ্তি হয়েছে লোকসভায়। নতুন এনসিপিআই দলের সংসদীয় দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুখ্য সচেতক কাকলি ঘোষ দস্তিদার। আগে তৃণমূলে থাকাকালীনও সুদীপ-কাকলি একই দায়িত্ব সামলেছেন লোকসভায়। এই দলের উপ দলনেত্রী বীরভূমের চারবারের সাংসদ শতাব্দী রায়। সর্বদল বৈঠকে যোগদানের চিঠিতে তাঁদের সকলের নাম ও পদ উল্লেখ করেছেন কিরেণ রিজিজু।
১৯ জন সাংসদকে নিয়ে তৃণমূল ছাড়ার পরপরই দিল্লিতে ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আবেদন জানিয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। চেয়েছিলেন, তাঁদের এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক এবং যেহেতু তাঁরা এনডিএ-র শরিক হতে চান, তাই লোকসভায় শরিকদলের পাশে আসন দেওয়া হোক। তাঁদের হাত ধরে এনডিএ বৃহত্তম শরিক পাচ্ছে। কারণ, এনডিএ-র আর কোনও শরিকেরই সাংসদ সংখ্যা এত নয়। অপেক্ষা ছিল, বাদল অধিবেশন শুরুর আগে স্পিকার তাঁদের স্বীকৃতি দেবেন। শনিবার অপেক্ষার অবসান হল সুদীপ, শতাব্দী, কাকলিদের। সর্বদল বৈঠকের জন্য এনসিপিআই সাংসদের নামে মন্ত্রী কিরেণ রিজিজুর পাঠানো চিঠিতেই স্পষ্ট, লোকসভায় আলাদা দল হয়ে উঠেছেন তৃণমূলের দলত্যাগীরা।
