গুরুতর অপরাধের অভিযোগে পুলিশের খাতায় নাম উঠেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। তবে এফআইআরে অভিযুক্তকে ন্যূনতম সম্মান দেখানো হয়নি পুলিশের তরফে। এই ঘটনায় যোগীর পুলিশকে তুলোধনা করল এলাহাবাদ হাই কোর্ট (Allahabad High Court)। বিচারপতি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, অভিযোগকারী না বললেও 'মাননীয়' ও 'সম্মানীয়'র মতো শব্দ অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। যদিও এই মামলায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরাসরি অভিযুক্ত নন, তবে মামলার অভিযোগপত্রে নাম রয়েছে মন্ত্রীর।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নামের আগে মাননীয় বা সম্মানীয় শব্দ কেন ব্যবহার করা হয়নি সে বিষয়ে পুলিশের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। মামলার শুনানিতে বিচারপতি জেজে মুনির ও বিচারপতি তরুণ সাক্সেনার বেঞ্চ রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে এই ইস্যুতে জবাব চেয়েছেন। কেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নামের আগে মাননীয় শব্দ ব্যবহার করা হয়নি তার ব্যাখ্যা দিয়ে হলফনামা জমা দিতে হবে স্বরাষ্ট্র সচিবকে। হতে পারে অভিযোগকারী লিখিত প্রতিবেদনে মাননীয় মন্ত্রীর নাম যথাযথভাবে লেখেননি, তবুও এফআইআর নথিভুক্ত করার সময় প্রোটোকল মেনে সম্মানজনক শব্দ ব্যবহার করা পুলিশের দায়িত্ব।
কেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নামের আগে মাননীয় শব্দ ব্যবহার করা হয়নি তার ব্যাখ্যা দিয়ে হলফনামা জমা দিতে হবে স্বরাষ্ট্র সচিবকে।
জানা যাচ্ছে, টাকার বিনিময়ে চাকরি সংক্রান্ত মামলায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি অনুযায়ী, মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে এক যুবক তাঁর থেকে ৮০ লক্ষ টাকা নেন। মামলায় মন্ত্রীর নাম উঠলেও তিনি সরাসরি অভিযুক্ত নন। মামলাকারীর দাবি, চাকরি তো দেওয়া হয়নি, টাকাও ফেরানো হয়নি তাঁকে। টাকা ফেরত চাইলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এই মামলাতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে 'মিস্টার' বা 'মাননীয়', 'অনারেবল' বা 'সম্মানীয়' শব্দ ব্যবহার না করায় যোগীর পুলিশকে একহাত নিল এলাহাবাদ হাই কোর্ট। কেন সম্মান জানানো হয়নি সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
