shono
Advertisement
North Sikkim Landslide

টানা বৃষ্টিতে ভূমিধসে বিধ্বস্ত উত্তর সিকিম, আটকে থাকা ২০০ পর্যটককে উদ্ধার প্রশাসনের

টানা বৃষ্টির জেরে ভূমিধসে বিধ্বস্ত উত্তর সিকিম। রাস্তায় ধস নামার কারণে আটকে পড়েছিলেন প্রায় ২০০ জন পর্যটক। খবর পেয়ে তাঁদের উদ্ধারের কাজে হাত লাগান পুলিশ-প্রশাসন। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষপর্যন্ত পর্যটকদের উদ্ধার করা হয়।
Published By: Suhrid DasPosted: 05:51 PM Mar 25, 2026Updated: 06:07 PM Mar 25, 2026

টানা বৃষ্টির জেরে ভূমিধসে বিধ্বস্ত উত্তর সিকিম (North Sikkim Landslide)। রাস্তায় ধস নামার কারণে আটকে পড়েছিলেন প্রায় ২০০ জন পর্যটক। খবর পেয়ে তাঁদের উদ্ধারের কাজে হাত লাগান পুলিশ-প্রশাসন। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষপর্যন্ত পর্যটকদের উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ধস সরিয়ে রাস্তা খোলার কাজ চলছে।

Advertisement

প্রশাসন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে চুংথাং থেকে উদ্ধার হয়েছেন অন্তত ২০০ পর্যটক। আজ, বুধবার তাঁদের গ্যাংটকে নামিয়ে আনা হয়েছে। একাধিক স্থানে রাস্তা বন্ধ থাকায় লাচেনের দিকে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মঙ্গনের জেলাশাসক অনন্ত জৈন সংবাদ মাধ্যমকে জানান, মঙ্গলবার রাতে গ্যাংটক থেকে লাচেন এবং চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার পথে অনেক জায়গায় ভূমিধস নামে। যে সব পর্যটক লাচেন যাচ্ছিলেন তাঁরা চুংথাংয়ে আটকে পড়েন। ১৫০ থেকে ২০০ পর্যটক সেখানে আটকে ছিলেন। রাতেই রাস্তা থেকে ধস সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পর্যটকদের উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়।

উদ্ধার হওয়া পর্যটকরা। ছবি-সংগৃহীত

যত দ্রুত সম্ভব রাস্তা থেকে ধস সরিয়ে পর্যটকদের চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা হচ্ছে। উত্তর সিকিমের মঙ্গন জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আটকে পড়া পর্যটকদের ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) শিবির এবং গুরুদ্বারে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। লাচেন যাওয়ার পথ পুরোপুরি স্তব্ধ ছিল। রাস্তায় অনেক পর্যটক বোঝাই গাড়ি আটকে পড়ে। বুধবার আবহাওয়া পরিস্থিতি সামান্য উন্নতি হতে পর্যটকদের গ্যাংটকে নামানো হয়। লাচুংয়ের পথে যে ধস নেমেছিল সেটা রাতেই পরিষ্কার করা হয়েছে। ওই পথে আটকে থাকা পর্যটকেরা গ্যাংটকে ফিরেছেন। আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। পর্যটকদের জন্য প্রশাসনের তরফে সতর্কবার্তাও জারি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে চুংথাংয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যেখানে রাত ১০টার দিকে থাকার জায়গা না পেয়ে অনেক পর্যটক দিশাহারা হয়ে পড়েন। কারণ, গুরুদ্বার আগে থেকেই ভিড়ে ঠাসা ছিল। থাকার জায়গা না পেয়ে কিছু পর্যটক রাতেই গ্যাংটকে ফিরে যেতে চেষ্টা করেন। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। ২০২৩ সালের লোনার্ক হিমবাহ হ্রদ বিপর্যয়ের জেরে হড়পা বানে লাচেন রুট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মেরামতের পর ৯ মার্চ ওই রুট পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু তারই মধ্যে ভূমিধসের বিপর্যয় নেমে আসায় সিকিম প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement