পর্যটক মাত্রই কাশ্মীর ভ্রমণের স্বপ্ন দেখেন। বাঙালি তো বটেই। সেই ভূস্বর্গে ভ্রমণ এবার আরও সহজ হল। বৃহস্পতিবার সুউচ্চ পাহাড়, গভীর জঙ্গল, দীর্ঘ সুড়ঙ্গ ডিঙিয়ে ছুটল জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকার প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এদিন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সবুজ পতাকা নাড়িয়ে ভারতের অন্যতম দ্রুতগতির ট্রেনযাত্রার শুভারম্ভ করেন। এক ট্রেনপথে বৈষ্ণোদেবী, অনন্তনাগ, উধমপুর ছোঁয়া যাবে। শেষতক পৌঁছে যাওয়া যাবে শ্রীনগরেও।
জম্মু তাওয়াই স্টেশন থেকে ছাড়বে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এর পরেই মূল কাশ্মীর ভূখণ্ডে ছুট দেবে বন্দে ভারত। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, উধমপুর দিয়ে বৈষ্ণোদেবী কাটরা, বানিহাল, অনন্তনাগ হয়ে শ্রীনগর পৌঁছবে এই ট্রেন। অর্থাৎ বৈষ্ণোদেবী যাত্রাও এখন সহজ হয়ে গেলো। এবার থেকে ট্রেনে চেপেই বৈষ্ণোদেবী যেতে পারবেন তীর্থযাত্রীরা। রেল আধিকারিকরা বলছেন--- ভারতীয় রেলে জম্মু-কাশ্মীরের এই রেল-রুট কার্যত বিপ্লব। কারণ বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু চেনাব রেল ব্রিজ দিয়ে ছুটবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। পীর পাঞ্জাল রেঞ্জের ভিতরে সুড়ঙ্গ দিয়েও যাবে এই ট্রেন।
কঠিন প্রাকৃতিক বাধা ডিঙিয়েও গন্তব্য পৌঁছবে এই জম্মু ও কাশ্মীরের এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। প্রবল তুষারপাতেও ছেদ হবে না যাত্রায়। পাহাড়ে সড়কপথে ধস নামার ঘটনা নতুন নয়। ট্রেন যাত্রায় সেই বাধা আসবে না বলেই রেলের দাবি। উপত্যকায় নিরাপত্তা একটা বড় বিষয়। ফলে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে ট্রেনের সমস্ত কোচে। এছাড়াও জঙ্গি উপদ্রব, নাশকতা হামলা ঠেকাতে ট্রেনের নিরাপত্তায় থাকছে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত নিরাপত্তা বাহিনী 'কমান্ডোস ফর রেলওয়ে সিকিউরিটি' (সিওআরএএস)।
