সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বড়সড় স্বস্তি পেলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শনিবার, ২০ জন ‘আম আদমি পার্টি’ বিধায়কের বিধানসভার সদস্যপদ বহাল রাখল দিল্লি হাই কোর্ট।
‘অফিস অফ প্রফিট’ বা লাভজনক পদে রয়েছেন ‘আপ’-এর ২০ বিধায়ক। এমনটাই অভিযোগ ছিল নির্বাচন কমিশন বা ইসি-র। ফলে বিধানসভা থেকে তাঁদের সদস্যপদ খারিজ করার সুপারিশ করে ইসি। তাতে সিলমোহর দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এদিন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ খারিজ করে হাই কোর্ট। বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার জন্য ইসি-র কাছে ফেরত পাঠায় আদালত। রায়ে নির্বাচন কমিশনকে কার্যত তুলোধোনা করে আদালত। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও চন্দ্রশেখরের বেঞ্চ জানায়, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ আইনের অপব্যবহার। অভিযুক্তদের বয়ান পেশ করার কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি। এক্ষেত্রে ন্যায়বিচার প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করেছে ইসি।
[রাজ্যসভার ভোটে বড় ‘ভুল’, বিপাকে রাজ্যের মন্ত্রী জাকির হোসেন]
উল্লেখ্য, ১৯ জানুয়ারি ‘লাভজনক’ পদে থাকার জন্য ২০ আপ বিধায়কের সদস্যপদ খারিজ করার সুপারিশ করে নির্বাচন কমিশন। দু’দিন পর ইসি-র সুপারিশে সিলমোহর দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। নিজের অভিযোগে ইসি জানায়, ২০১৫ সালে ওই বিধায়কদের পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি পদে নিয়োগ করা হয়। ওই পদটি লাভজনক। জনপ্রতিনিধিরা ওই পদে থাকতে পারেন না। কমিশনের সিদ্ধান্তে প্রবল বিপাকে পড়ে কেজরিওয়াল সরকার। ইতিমধ্যেই একের পর এক মানহানি মামলায় কোণঠাসা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষমা চেয়ে মিলছে না মুক্তি। এমন পরিস্থিতিতে আদালতের রায়ে আপাতত স্বস্তিতে ‘আম আদমি’।
ইতিমধ্যে আদালতের রায়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কেজরিওয়াল। টুইটারে তাঁর বক্তব্য, ‘সত্যের জয় হয়েছে। এই জয় শুধুমাত্র দলের নয়। এই জয় দিল্লিবাসীর।’ তবে আইনজীবিদের একাংশের মতে এখনই মিটছে না মামলাটি। বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠিয়েছে আদালত। সেক্ষেত্রে পরবর্তীকালে কমিশন কি সিদ্ধান্ত নয় তা দেখতে হবে।
The post আপ বিধায়কদের সদস্যপদ বহাল, দিল্লি হাই কোর্টের রায়ে স্বস্তিতে কেজরি appeared first on Sangbad Pratidin.
