সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংসদীয় গণতন্ত্রে আজ এক ঐতিহাসিক দিন। সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বলীয়ান সরকারের বিরুদ্ধেই অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে বিরোধীরা। যা নিয়ে আজ আলোচনা সংসদে। কিন্তু তাতে কি সরকার পড়বে? অন্তত সেরকম কোনও ইঙ্গিত নেই। তবে বিরোধীরা তাদের বক্তব্য পেশ করার সুযোগ পাবে। সেটা গণতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর। এমনটাই মত শিব সেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউতের।
[ গোটা দেশ তাকিয়ে, আস্থা ভোটের আগে সাংসদদের তৈরি থাকার বার্তা মোদির ]
সংসদীয় গণতন্ত্রেই শুধু এই পরিসর আছে। একদিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জেরে সরকার একের পর এক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারে। আবার কখনও বিরোধীদের কথাবার্তায় কান না দেওয়ারও অভিযোগও ওঠে। অথচ গণতন্ত্র সকলের কথা শোনা ও মত নিয়ে চলার পক্ষেই রায় দেয়। এরকম পরিস্থিতি তৈরি হলে বিরোধীরা সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারে। তা নিয়ে আলোচনা হবে। বিরোধীরা কে কী মনে করছেন, কেন সরকারের বিরুদ্ধে তাঁদের অনাস্থা তা খুলে বলতে পারেন। সংসদীয় গণতন্ত্রেই এই বলার জায়গা মেলে। শাসক দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও এই স্বাধীনতা পাওয়া যায়। এই গুরুত্বপূর্ণ পরিসরটিকে কাজে লাগিয়েই আজ সংসদে নিজেদের কণ্ঠস্বর মেলে ধরতে চাইছে বিরোধীরা। পুরো বিষয়টিকেই অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর বলে ব্যাখ্যা করেছেন শিব সেনা নেতা সঞ্জয় রাউত। শিব সেনা বেশ কিছুদিন ধরেই বিজেপি বিরোধী। আবার সদ্য অমিত শাহের সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎ হয়েছে, সম্পর্ক ঝালিয়ে নিয়েছে দুই দলই। তাই আস্থা ভোটে শিব সেনা হয়তো বিজেপির পক্ষেই ভোট দেবে। তবে দলে কোনও হুইপ জারি করা হয়নি বলেই জানা যাচ্ছে। অর্থাৎ সেনা সাংসদরা নিজেদের খুশিমতো ভোট দিতে পারবেন, কোনও বিশেষ বাধ্যবাধকতা থাকছে না। গণতন্ত্রের এও অন্যতম লক্ষণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
[ কাশ্মীর ও পাঞ্জাবে আত্মঘাতী হামলা চালাতে পারে জঙ্গি মুসা! ]
এদিকে এদিনের আলোচনা যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে আহ্বান জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। তিনি একটি অন্য প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন। জানিয়েছেন, আলোচনা যেন দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের পক্ষে। কেউ কাউকে ‘পাপ্পু’ বা ‘ফেকু’ বলে যেন ব্যক্তিগত আক্রমণ না করে বসেন।
The post সরকার না পড়লেও বিরোধীরা বলার সুযোগ পাবে, আশাবাদী শিব সেনা appeared first on Sangbad Pratidin.
