প্লাস্টিকের প্যাকেটে পানমশলা ব্যবহার নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র। ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা এফএসএসএআইয়ের তরফে এমনটাই জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গেই কেন্দ্রীয় খাদ্য সুরক্ষা ও নিয়ামক সংস্থা জানিয়ে দিয়েছে এবার থেকে কাগজ, পেপারবোর্ড, সেলুলোজোরে মতো উপাদান দিয়ে প্যাকেট বানিয়ে তাতে মশলা বিক্রি করতে হবে।
কেন্দ্রীয় সংস্থা সাফ জানিয়েছে, পানমশলার প্যাকেটে কোনওমতেই ব্যবহার করা যাবে না পলিয়েস্টার, পলিপ্রপিলিন, পলিথাইলিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইডের মতো বস্তু। এমনকী, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলও নৈব নৈব চ। পরিবর্তে টিন কিংবা কাচের কৌটোয় তা বিক্রি করলেও চলবে। গেজেট অফ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত খাদ্য সুরক্ষা ও নিয়ামক (প্যাকেজিং) সংশোধনী বিধিমালা, ২০২৬-এ পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বলে রাখা ভালো, এই বিধিনিষেধটি কেবল প্রচলিত প্লাস্টিক প্যাকেজিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নির্দিষ্ট কাগজ এবং প্রাকৃতিক উৎস থেকে প্রাপ্ত উপাদানগুলোতে অবশ্যই অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ও ধাতব আস্তরণ (মেটালাইজড লেয়ার) থাকা চলবে না বলেও জানানো হয়েছে। এর অর্থ হল, যেসব প্যাকেজিংয়ের বাইরের অংশ কাগজ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরে প্লাস্টিক বা ধাতব আস্তরণ থাকে, সেগুলি এই সংশোধনীতে উল্লিখিত উপাদানের মানদণ্ড পূরণ করবে না।
কেন্দ্রীয় সংস্থা সাফ জানিয়েছে, পানমশলার প্যাকেটে কোনওমতেই ব্যবহার করা যাবে না পলিয়েস্টার, পলিপ্রপিলিন, পলিথাইলিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইডের মতো বস্তু। এমনকী, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলও নৈব নৈব চ।
গত ২৮ এপ্রিল সংশোধনীর প্রথম খসড়া প্রকাশ করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। পরবর্তী ৬০ দিনের জন্য তা জনগণের প্রতিক্রিয়ার জন্য উন্মুক্ত ছিল। সকলের থেকেই আপত্তি ও পরামর্শ আমন্ত্রণ করার পর প্রাপ্ত পরামর্শের মাধ্যমে সংশোধনের পর অবশেষে প্রকাশ করা হল চূড়ান্ত সংশোধনী। তবে এটি পণ্য হিসেবে পানমশলার উপরে কোনও নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে না। বরং পানমশলাকে প্যাকেজিং-সংক্রান্ত তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে এবং এর মোড়ক তৈরির জন্য যেসব উপাদান ব্যবহার করা যাবে, সেটাই নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
