shono
Advertisement
Bill to remove Convicted CMs

৩০ দিন হেফাজতে থাকলেই অপসারণ! ‘দাগি’ প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীদের গদি কাড়ার বিলে সায় নেই যৌথ সংসদীয় কমিটির

সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ‘দাগি’ প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীদের গদি কাড়ার বিলে সায় দেয়নি জেপিসি। কিন্তু মন্ত্রীদের সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দিয়েছে তারা। শুধু তাই নয়, সাসপেন্ড হওয়ার পরে কেউ যদি কোনও মন্ত্রী বেকসুর খালাস পেয়ে যান, তাহলে তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহারেরও সুপারিশ করেছে তারা।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 03:44 PM Jul 13, 2026Updated: 04:05 PM Jul 13, 2026

ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রীদের অপসারণ সংক্রান্ত বিল এনেছিল কেন্দ্র। সেখানে বলা হয়েছিল, টানা ৩০ দিন হেফাজতে থাকলেই তাঁদের অপসারিত করা হবে। ওই বিলের পর্যালোচনার জন্য যে যৌথ সংসদীয় কমিটি (জেপিসি) গঠন করা হয়েছিল। অবশেষে তারা রিপোর্ট চূড়ান্ত করেছে। সেখানে জেপিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মন্ত্রিত্ব থেকে আপসারণে সায় নেই তাদের। পরিবর্তে তারা সাসপেন্ডের সুপারিশ করেছে।

Advertisement

সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ‘দাগি’ প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীদের গদি কাড়ার বিলে সায় দেয়নি জেপিসি। কিন্তু মন্ত্রীদের সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দিয়েছে তারা। শুধু তাই নয়, সাসপেন্ড হওয়ার পরে কেউ যদি কোনও মন্ত্রী বেকসুর খালাস পেয়ে যান, তাহলে তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহারেরও সুপারিশ করেছে তারা। সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই সংসদে রিপোর্ট জমা দেবে কমিটি। পিটিআইয়ের খবর অনুযায়ী, বিলে 'অপসারণ' শব্দের বদলে 'সাসপেন্ড' শব্দটি ব্যবহারের সুপারিশ করেছে কমিটি। পাশাপাশি, কোন অপরাধগুলিকে 'গুরুতর অপরাধ'  বোঝানো হচ্ছে, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছে জেপিসি। তাদের মতে, যে অপরাধে ন্যূনতম পাঁচ বছর বা তার বেশি সময়ের কারাদণ্ডের সম্ভাবনা থাকে, সেগুলিকেই 'গুরুতর অপরাধ' হিসাবে গণ্য করা হবে। এ জন্য একটি পৃথক তালিকা তৈরি করার কথাও বলা হয়েছে। সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে যাতে দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া শেষ করা যায়, তার জন্য ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট বা দ্রুত বিচার আদালতের ব্যবস্থা করারও সুপারিশ করেছে কমিটি।

উল্লেখ্য, গত বছর অগস্টে সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষদিন লোকসভায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন (সংশোধনী) বিল ২০২৫, সংবিধান (১৩০ তম সংশোধনী) বিল ২০২৫ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্বিন্যাস (সংশোধনী) বিল ২০২৫। ওই বিলগুলি মূলত সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে আনা। গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনও মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী নিজের পদের জন্য সাংবিধানিক রক্ষাকবচ না পান, সেটাই নিশ্চিত করা হবে ওই বিলে। প্রস্তাবিত ওই বিলে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রীপদে আসীন অবস্থায় কেউ যদি গুরুতর অপরাধে ৩০ দিনের বেশি জেলে থাকেন তাহলে তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করা হবে।

কংগ্রেস-সহ গোটা বিরোধী শিবির বিলটির বিরোধিতা করেছে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেসময় বলেন, "এই বিল আসলে সুপার এমার্জেন্সি লাগু করার চেষ্টা। ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে চিরতের ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে মোদি সরকার।" শেষমেশ সরকার বিলটিতে ভোটাভুটি না করিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement