সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাজ করতে করতে রাত হয়ে গিয়েছিল। কর্মক্লান্ত 'বস' পিয়নকে পানীয় জল দিতে বলেছিলেন। আর তারপরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরীক্ষা করতেই দেখা গেল নমুনাটি জলের নয়, মূত্রের! এমনই ঘটনার সাক্ষী হল ওড়িশা। সেই রাজ্যের গজপতি জেলার গ্রামীণ জল সরবরাহ এবং পয়ঃনিষ্কাশন দপ্তরেই উঠল এমন অভিযোগ। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। শুরু হয়েছে তদন্ত।
ঠিক কী হয়েছিল? ঘটনাটি গত ২৩ জুলাইয়ের। কর্তব্যরত ইঞ্জিনিয়ার শচীন গৌড়া কাজ করছিলেন অফিসে বসে। কাজ করতে করতে রাত হয়ে গিয়েছিল। সেখানে ছিলেন পিয়ন শিবনারায়ণ নায়েকও। এই সময়ই পিয়নকে জল দিতে বলেন শচীন। তিনি জলের বোতল এনে দেন। অভিযোগ, জল পান করার কিছুক্ষণ পরই শরীরে অস্বস্তি অনুভব করতে থাকেন তিনি। অবশেষে তাঁর কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়, বোতলের ওই পানীয় মোটেই জল নয়। এরপরই তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বোতলের পানীয় পরীক্ষা করে জানা যায়, তাতে প্রচুর পরিমাণে অ্যামোনিয়া রয়েছে। এবং নমুনাটি মূত্রের।
প্রশ্ন উঠতে পারে, তরলটির রং দেখে কি শচীন বুঝতে পারেননি সেটি মূত্র? দাবি, যেহেতু দপ্তরে আলো কম ছিল এবং কাজের চাপে অন্যমনস্ক ছিলেন, তাই শচীন প্রথমে ব্যাপারটা ধরতে পারেননি। এদিকে জানা গিয়েছে, আরও দু'জন কর্মী ওই তরল খেয়েছিলেন। তাঁদেরও মনে হয়েছিল এর স্বাদ মোটেই জলের মতো নয়।
শচীন পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। দ্রুত আটক করা হয়েছে অভিযুক্ত শিবনারায়ণকে। পরে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। কেন তিনি এমন করলেন জানা যায়নি। তবে তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন।
