দিল্লির এআই সম্মেলনে যুব কংগ্রেস কর্মীদের অর্ধনগ্ন প্রতিবাদ নিয়ে তুঙ্গে টানাপোড়েন। এই পরিস্থিতিতে হাত শিবিরকে একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় তাঁকে বলতে শোনা গেল, ''ভারতের প্রাচীনতম দল এআই সম্মেলনে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করেছে৷ এতে তাদের মতাদর্শগত দেউলিয়াপনাই স্পষ্ট হয়েছে।''
এদিন মোদি কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুলে দাবি করলেন, বারবার ব্যর্থতার ফলে যে অবসাদ জন্ম নেয় সেখান থেকেই দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার এমন মনোভাব জন্ম নেয়। পাশাপাশি মোদির খোঁচা, ''নিজেদের ভুল থেকে বাঁচতে মহাত্মা গান্ধীর নামের আড়ালে আশ্রয় নেয় কংগ্রেস। আবার যখন সবকিছু ঠিকঠাক হয়, তখন সমস্ত কৃতিত্ব একটি পরিবারের জন্যই সংরক্ষিত রাখা হয়।''
মোদি কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুলে দাবি করলেন, বারবার ব্যর্থতার ফলে যে অবসাদ জন্ম নেয় সেখান থেকেই দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার এমন মনোভাব জন্ম নেয়।
প্রসঙ্গত, দিল্লির ভারতমণ্ডপমে এআই সম্মেলন চলাকালীন ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় অর্ধনগ্ন হয়ে প্রতিবাদ দেখাতে শুরু করেন কয়েকজন। ‘নরেন্দ্র মোদি কমপ্রোমাইজড’ লেখা টি-শার্ট খুলে নগ্ন গায়েই বিক্ষোভ চলে। সম্মেলনে উপস্থিত আমজনতার একাংশ এর প্রতিবাদ জানালে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটক করে। এদিন সেই ভারতমণ্ডপম থেকেই এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সম্মেলনে কংগ্রেসকে তোপ দাগলেন মোদি। প্রসঙ্গত, এদিনের অনুষ্ঠানে মোদি ছাড়াও ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীয়ূষ গোয়েল, অশ্বিনী বৈষ্ণব, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি৷
এদিন অতীতের 'ধীর এবং বিলম্বিত' ভারতের উল্লেখ করতে গিয়েও সেই হাত শিবিরকেই কাঠগড়ায় তুলতে দেখা গেল তাঁকে। মোদির মতে, একসময় এই দেশের গতি ছিল নিতান্তিই ধীর। এখন, ২০২৬ সালে তা 'দ্রুত এবং নির্ভীক'। এই নতুন গতির প্রমাণ হিসেবে বন্দে ভারত এবং নমো ভারতের উল্লেখ করতে দেখা গেল তাঁকে। দেশের ডিজিটাল লেনদেনের বিষয়টিও এদিন উঠে আসে মোদির কথায়। তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলির তুলনায় ভারতে এটিএম অনেক পরে এসেছিল। তবুও দেশটি ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী নেতা হয়ে উঠেছে।
