Advertisement

প্রথমবার আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন মোদি, ‘অজানা’আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষ

11:38 AM Dec 17, 2020 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শেষবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দিয়েছিলেন লালবাহাদুর শাস্ত্রী (Lal Bahadur Shastri)। সেটা ১৯৬৪ সাল। তারপর গত সাড়ে পাঁচ দশকের মধ্যে আর কোনও প্রধানমন্ত্রী এএমইউয়ের কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দেননি। সেই দীর্ঘ অপেক্ষার এবার অবসান হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। আগামী ২২ ডিসেম্বর AMU-এর সভায় বক্তব্য রাখবেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথমবার আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন মোদি।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

বুধবার AMU-এর ভাইস চ্যান্সেলর তারিক মনসুর জানিয়েছেন,”শতবর্ষের এই অনুষ্ঠান আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। আমন্ত্রণ গ্রহণ করার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসর বাড়াতে সাহায্য করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি এবং পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের জন্যও উপযোগী হবে।” প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্কও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দের এই শতবর্ষের অনুষ্ঠানের সূচনা করার কথা ছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত নিজের পরিকল্পনা পরিবর্তন করেছেন। আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। তবে, সব অনুষ্ঠানই হবে ভারচুয়ালি।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

[আরও পড়ুন: সব ধর্মে বিবাহ-বিচ্ছেদে অভিন্ন বিধির দাবি, কেন্দ্রের অবস্থান জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট]

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের (Aligarh Muslim University) অনুষ্ঠানে যোগ রাজনৈতিকভাবেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আসলে কেরল, বাংলা, অসমের নির্বাচনের আগে AMU-এর অনুষ্ঠানে যোগ দিলে সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে একটা বার্তা তো যাবেই। ‘সবকা সাথে, সবকা বিকাশে’র শ্লোগানের প্রচারটাও ভালমতোই হবে। তবে, মোদির এই সফর ঘিরে অন্য আশঙ্কা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এখনও প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে এএমইউ ছাত্র সংসদ কিছুই বলেনি। কোনও সংঠন তা বয়কটের হুমকিও দেয়নি। তবু, একটা অজানা অশান্তির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। আর সেজন্যই সম্ভবত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর তারিক মনসুর মোদির এই অনুষ্ঠানকে ‘রাজনীতির ঊর্ধ্বে’ রাখতে অনুরোধ করেছেন। ছাত্রদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা,”যেভাবে প্রজাতন্ত্র দিবস, স্বাধীনতা দিবস, ইদ বা গান্ধী জয়ন্তীর মতো এই দিনটিকেও রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখতে হবে।”

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
Advertisement
Next