রাজ্যের ক্ষমতায় এসেই বুলডোজার নীতিতে এগিয়েছে বিজেপি সরকার। বিভিন্ন জায়গায় বেআইনি নির্মাণ বা দখল করা জায়গায় চলেছে বুলডোজার। শনিবারও জমি দখল করে তৃণমূল কার্যালয় তৈরির অভিযোগে বুলডোজার চালিয়ে তা ভেঙে ফেরা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের মতো বাংলাতেও বিজেপি সরকারের এই বুলডোজার নীতির সমালোচনা আগেই শোনা গিয়েছিল তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। এভাবে বিনা নোটিসে কিছু ভেঙে ফেলা যায় না বলে আইনের কথা মনে করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এবার এর বিরুদ্ধে কলমে গর্জে উঠলেন তৃণমূল সুপ্রিমো, লিখলেন নতুন কবিতা - 'দখল'।
কবিতার ভাষায় - 'আর কত বুলডোজার?/ আর কত অত্যাচার?/ আর কত দানবিকতা?' এরপরই তাৎপর্যপূর্ণ কথা - 'নেতাদের তাবেদার এখন ডান্ডাওয়ালা রক্ষাকর্তারা!' আইনের রক্ষাকর্তাদের নিশানা করে মমতার প্রশ্ন, 'নিজেদের পরিবারকে দেখো/তারা কী বলছে/ এ সময় যদি তাদের জীবনে আসতো?/তবে কি তুমি শান্ত থাকতে?/ নাকি দখল মুক্ত হতে?'
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন কবিতা - 'দখল'
প্রায় ২৭ লাইনের 'দখল' কবিতার ছত্রে ছত্রে বুলডোজার নীতির সমালোচনা করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দখলমুক্ত করতে কেন বুলডোজারের অত্যাচার, কত ভাঙা হবে - এসব প্রশ্ন তুলে ধরেছেন তিনি। কবিতার ভাষায় - 'আর কত বুলডোজার?/ আর কত অত্যাচার?/ আর কত দানবিকতা?' এরপরই তাৎপর্যপূর্ণ কথা - 'নেতাদের তাবেদার এখন ডান্ডাওয়ালা রক্ষাকর্তারা!' আইনের রক্ষাকর্তাদের নিশানা করে মমতার প্রশ্ন, 'নিজেদের পরিবারকে দেখো/তারা কী বলছে/ এ সময় যদি তাদের জীবনে আসতো?/তবে কি তুমি শান্ত থাকতে?/ নাকি দখল মুক্ত হতে?'
ছাব্বিশের ভোটে পরাজয়ের পরদিনই মমতা জানিয়েছিলেন, তিনি আর রাজনীতির লড়াইয়ে নেই, 'মুক্ত বিহঙ্গ' হয়ে মানুষের কাজ করতে চান। সেভাবেই তিনি এগোচ্ছেন। পরাজয়ে হতাশাগ্রস্ত দলকে চাঙ্গা করতে নানা সময়ে বৈঠক ডাকছেন, প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন জনপ্রতিনিধি ও দলের নেতাদের। সেই ফাঁকে চলছে তাঁর সাহিত্য চর্চা। এর আগে দলকে উজ্জীবীত করতে ইংরাজিতে কবিতা লিখেছিলেন। ভয় না পেয়ে নিজেদের কাজে অটল থাকার পরামর্শ ছিল তাতে। আর এবার বর্তমান সরকারে বুলডোজার নীতির বিরুদ্ধে নতুন কবিতাকে অস্ত্র করলেন তৃণমূলনেত্রী।
