ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্পকে খুনের ছক। কয়েকদিন আগে তুরস্ক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ইরানের সেনাবাহিনী আইআরজিসির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এক যুবককে। ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে আমেরিকায়। জানা যাচ্ছে, আমেরিকার উপর প্রতিশোধের বশেই ইভাঙ্কাকে খুনের ছক করে মহম্মদ বাকের সাদ দাউদ আল সাদি নামের ৩২ বছর বয়সি ইরাকি যুবক।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২০ সালে মার্কিন হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ইরানের সেনা কমান্ডার কাসেম সোলেমানির। বাগদাদে ড্রোন হামলায় মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। দাবি করা হচ্ছে এই হত্যার প্রতিশোধ নিতেই ইভাঙ্কাকে খুনের ছক কষা হয়। দিন সাতেক আগে সন্দেহভাজন ওই যুবককে তুরস্ক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় আমেরিকাতে। বর্তমানে তিনি ব্রুকলিন জেলে বন্দি। অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ট্রাম্প-কন্যার ফ্লোরিডার বাসভবনের একটি নীল নকশাও।
দিন সাতেক আগে সন্দেহভাজন ওই যুবককে তুরস্ক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় আমেরিকাতে। বর্তমানে তিনি ব্রুকলিন জেলে বন্দি।
ওয়াশিংটনে ইরাকের দূতাবাসের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সোলেমানি খুনের পর এই আল সাদি নানা জায়গায় বলে বেড়াত, ট্রাম্প যেভাবে আমাদের ঘর জ্বালিয়েছে, একইভাবে ইভাঙ্কাকে খুন করে ট্রাম্পের ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া উচিত। এমনকী ইভাঙ্কা ও তাঁর স্বামীর কুশনারের ফ্লোরিডার বাসভবনের ম্যাপ এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেন সাদি। যেখানে আরবি ভাষায় লিখেছিলেন, 'আমি আমেরিকানদের বলতে চাই, আপনারা ছবিটা দেখুন। এই রাজপ্রাসাদ বা সিক্রেট সার্ভিস, কেউ তোমাদের বাঁচাতে পারবে না। আমরা তোমাদের কড়া নজরে রেখেছি। বদলা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।'
জানা গিয়েছে, আল সাদির জন্ম ইরাকে। পরে তিনি ইরানের তেহরানে চলে আসেন। এখানে আইআরজিসি-র কাছে প্রশিক্ষণ নেন। তার সঙ্গে যোগ ছিল কাতাইব হেজবোল্লারও। আমেরিকার দাবি, অভিযুক্ত আলো সাদি একাধিক হামলার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। গত মার্চ মাসে আমস্টারডামে ‘ব্যাঙ্ক অফ নিউ ইয়র্ক মেলন’ ভবনে ফায়ারবম্বিং হামলা, এপ্রিলে লন্ডনে দু’জন ইহুদিকে ছুরি মারার ঘটনায় অভিযুক্ত আলো হাদি। এছাড়াও টরন্টোয় আমেরিকান কনস্যুলেট ভবনের কাছে একটি শুটআউটের ঘটনাতেও সরাসরি অভিযুক্ত আল সাদি।
