এনসিপিআই কি মিশে যাচ্ছে বিজেপিতে? এই জল্পনার মাঝে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এছাড়া আরও কয়েকজন এনডিএ সাংসদকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বৈঠকে। শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে সাংসদদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সারবেন তিনি। কীভাবে সংসদের অধিবেশনে অংশ নেবেন তাঁরা, সম্ভবত সে বিষয়ে কথা হতে পারে।
এদিকে, আবার বৃহস্পতিবার ইউসুফ পাঠান, খলিলুর রহমান এবং আবু তাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন। কী কথা হল তাঁদের, স্বাভাবিকভাবে তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা।
শুক্রবারের বৈঠকে ২০ জন এনসিপিআই সাংসদ থাকবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে। সূত্রের খবর, শুক্রবারের বৈঠকে যেতে পারেন বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান। তবে খলিলুর রহমান এবং আবু তাহের বৈঠকে অংশ নেবেন কিনা, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে। কারণ, এনডিএ-র বৈঠকে ওই তিনজন যোগ দেননি। তাই মনে করা হচ্ছে সম্ভবত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকেও যোগ দেবেন না তাঁরা। এদিকে, আবার বৃহস্পতিবার ইউসুফ পাঠান, খলিলুর রহমান এবং আবু তাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন। কী কথা হল তাঁদের, স্বাভাবিকভাবে তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। যদিও ওই তিন সাংসদের দাবি, তাঁদের নিজের কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন নিয়ে কথা হয়েছে।
বলে রাখা ভালো, ২০ জন সাংসদকে নিয়ে তৃণমূল ছাড়ার পরপরই দিল্লিতে ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আবেদন জানিয়েছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। চেয়েছিলেন, তাঁদের এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। এবং যেহেতু তাঁরা এনডিএ-র শরিক হতে চান, তাই লোকসভায় শরিকদলের পাশে আসন দেওয়া হোক। তাঁদের হাত ধরে এনডিএ বৃহত্তম শরিক পাচ্ছে। কারণ, এনডিএ-র আর কোনও শরিকেরই সাংসদ সংখ্যা এত নয়। অপেক্ষা ছিল, বাদল অধিবেশন শুরুর আগে স্পিকার তাঁদের স্বীকৃতি দেবেন। গত ১৯ জুলাই, বাদল অধিবেশন শুরুর ঠিক আগেরদিন এনসিপিআই-কে চিঠি লিখে সর্বদল বৈঠকে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছিলেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তাতে যোগদানও করেছিলেন সাংসদরা। এনডিএ শরিক হয়ে থাকবে এনসিপিআই নাকি বিজেপিতে বিলীন হয়ে যাবে উত্তর-পূর্ব ভারতের অনামী দলটি, তা নিয়ে এখনও রয়েছে চাপানউতোর। তারই মাঝে মোদির সঙ্গে প্রাতঃরাশ যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
