মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে টান পড়েছে রান্নার গ্য়াসে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে গ্যাসের কালোবাজারি শুরু হয় ছত্তিশগড়ে। শেষ পর্যন্ত পর্দা ফাঁস হল ৯০ টনেরও বেশি এলপিজি দুর্নীতির। যার দাম প্রায় দেড় কোটি টাকা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন গ্যাস ডিলার থেকে সরকারি আধিকারিক।
প্রাথমিকভাবে বিষয়টি সামনে আসে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে। ওই সময়ে মহাসমুন্দের সিংহোরা এলাকায় জঙ্গলের মধ্যে এলপিজি বোঝাই ৬টি গ্য়াস ট্যাঙ্কার উদ্ধার করেছিল পুলিশ। মহাসমুন্দের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রতিভা পাণ্ডে জানান, ওই ট্যাঙ্কারগুলি উদ্ধারের পরেই মামলা দায়ের করে গ্যাস চুরি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। অন্যদিকে বাজেয়াপ্ত করা হয় ট্যাঙ্কারগুলিকে। যদিও মার্চে গ্রীষ্মের মরসুম শুরু হওয়ায় মহাসমুন্দের জেলাশাসককে ট্যাঙ্কারগুলির দায়িত্ব নেওয়ার জন্য অনুরোধ করে পুলিশ।
যদিও রাজ্যের খাদ্য দপ্তরের হাত ঘুরে শেষ পর্যন্ত এলপিজি ট্যাঙ্কারগুলি পৌঁছে যায় ছত্তিশগড়ের রায়পুরে এক এলপিজি সরবরাহকারী সংস্থার মালিকের কাছে। যিনি গ্যাস চুরির অন্যতম অভিযুক্ত। পুলিশের দাবি, ৩০ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিলের মধ্যে ট্যাঙ্কারগুলি থেকে গ্যাস চুরি যায়। যাবতীয় নথিপত্র যাচাই করে দেখা যায়, এপ্রিলে অভিযুক্ত মাত্র ৪৭ টন এলপিজি কিনেছিলেন। অথচ, ওই মাসে ১০৭ টন গ্যাস বিক্রি করেন তিনি। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক অজয় যাদব, গ্যাস ডিলার পঙ্কজ চন্দ্রাকর, রায়পুরে তাঁদের সহযোগী মণীশ চৌধরি এবং সরবরাহকারী সংস্থার মালিক সন্তোষ ঠাকুরকে।
