২০২৬ সাল ঐতিহাসিক সোমনাথ মন্দিরে প্রথম হামলার ১০০০ বছর। আবার এই বছরই সোমনাথ মন্দিরের পুনর্নির্মাণের ৭৫ বছর পূর্তি। এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে সবচেয়ে আগে তাঁর মুখে শোনা গেল, ''হর হর মহাদেব।'' তারপর তিনি দাবি করলেন, ১৯৫১ সালে সোমনাথ মন্দিরের পুনর্নির্মাণ কেবলই কোনও ধর্মীয় ঘটনা নয় নিছক। বরং তা ছিল ভারতের স্বাধীন আত্মার ঘোষণা।
এদিন মোদিকে বলতে শোনা যায়, ''ভারত ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করেছিল ঠিকই। ১৯৫১ সালে সোমনাথের মন্দিরের প্রতিষ্ঠা ছিল একটি স্বাধীন জাতির গৌরব পুনরুদ্ধারের প্রকৃত চেতনার প্রতীক।'' সেই সঙ্গেই তাঁর দাবি, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল যেমন ৫০০টি প্রিন্সলি স্টেটকে একত্রিত করে আধুনিক ভারতের জন্ম দিয়েছিলেন, তেমনই সোমনাথ মন্দিরের পুনর্নির্মাণও ছিল গোটা বিশ্বের কাছে শক্তিশালী বার্তা। এটা বুঝিয়ে দেওয়া যে, কেবল রাজনৈতিক ভাবে স্বাধীনতাই নয়, ভারত হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের পথেও এগতে শুরু করেছে।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে সবচেয়ে আগে তাঁর মুখে শোনা গেল, ''হর হর মহাদেব।'' তারপর তিনি দাবি করলেন, ১৯৫১ সালে সোমনাথ মন্দিরের পুনর্নির্মাণ কেবলই কোনও ধর্মীয় ঘটনা নয় নিছক। বরং তা ছিল ভারতের স্বাধীন আত্মার ঘোষণা।
এর আগে বছরের শুরুতেও সোমনাথ মন্দিরে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে অভিযোগ করেছিলেন, “স্বাধীনতার পর থেকেই অতীতের শাসকরা সোমনাথ মন্দিরের ইতিহাস মোছার ঘৃণ্য চেষ্টা করেছিলেন। মানুষকে শেখানো হয়েছিল যে সোমনাথ মন্দির কেবল লুটের জন্য ধ্বংস করা হয়েছিল। কিন্তু আসল ইতিহাস প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।”
উল্লেখ্য, ১০২৬ সালে প্রথমবার আক্রান্ত হয় সোমনাথ মন্দির। ১৯৫১ সালে সোমনাথ মন্দিরের আধুনিকীকরণ করা হয়। ২০০১ সালে সেই আধুনিকীকরণের ৫০ বছর পূর্তি হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আডবাণী। আর চলতি ২০২৬ সালে ১৯৫১ সালের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের ৭৫ বছর পূর্ণ হল।
