shono
Advertisement
Raju P Puthran

উডুপির ছেলে থেকে হাজারো মানুষের রক্ষক, স্মরণে 'সরস্বতী ফাউন্ডেশনে'র প্রতিষ্ঠাতা

জীবনের চরম প্রতিকূলতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি রচনা করেছিলেন মানবিকতার এক নয়া অধ্যায়।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 06:12 PM Jul 31, 2026Updated: 06:15 PM Jul 31, 2026

স্মৃতির আঙিনায় এক বছর। চলে যাওয়ার ১২টি মাস কেটে গেলেও যাঁর কর্ম ও জীবনচেতনা আজও মানুষের মনে অমলিন, তিনি সরস্বতী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা স্বর্গীয় রাজু পি পুথরান। জীবনের চরম প্রতিকূলতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি রচনা করেছিলেন মানবিকতার এক নয়া অধ্যায়। ৩ আগস্ট তাঁর প্রথম প্রয়াণ দিবসে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় তাঁকে স্মরণ করতে চলেছেন তাঁর স্বজন ও অগুনতি অনুরাগী।

Advertisement

কর্নাটকের উডুপির এক সাধারণ পরিবারে জন্ম রাজুর। শৈশবে চরম আর্থিক অনটনের কারণে খুব কম বয়সেই পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হন। এরপর আতিথেয়তা বা হসপিটালিটি সেক্টরে কাজ শুরু করেন। নিজের জীবনসংগ্রাম তাঁকে অন্যদের দুঃখে সমব্যথী হতে শেখায়। এই কঠিন লড়াই রাজুকে কঠোর করেনি, বরং তাঁর হৃদয়কে করে তুলেছিল আরও সহানুভূতিশীল। সমাজের পিছিয়ে পড়া বা দরিদ্র শিশুদের যাতে দারিদ্র্যের কারণে পড়াশোনা বন্ধ না হয়, সেই পণ নিয়েছিলেন তিনি।

রাজু পুথরানের প্রথম প্রয়াণ বার্ষিকী।

নিজের এই দর্শনকে বাস্তবে রূপ দিতে ২০১২ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘সরস্বতী ফাউন্ডেশন’। বিগত এক দশকে এই সংস্থার হাত ধরে অগণিত ছাত্রছাত্রী পেয়েছে স্কলারশিপ ও পড়াশোনার সুযোগ। শুধু শিক্ষাই নয়, চিকিৎসা পরিষেবা, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে স্বাবলম্বী করতে তিনি অসামান্য ভূমিকা নেন। কর্নাটক থেকে মহারাষ্ট্র—সর্বত্রই রাজু পুথরানের সমাজসেবা এক দৃষ্টান্ত তৈরি করেছিল।

প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্ত্রী সরস্বতী, পুত্র সুধীর, কন্যা সুপ্রীতা এবং নাতি-নাতনিরা শ্রদ্ধায় স্মরণ করতে চলেছেন তাঁদের অভিভাবককে। পরিজনদের মতে, তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ ও মূল্যবোধই আজও পরিবারকে পথ দেখাচ্ছে। তিনি আর নেই, কিন্তু তাঁর দেখানো পথ ধরে হাজার হাজার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এই অঙ্গীকার আজও জারি রয়েছে। সরস্বতী ফাউন্ডেশনের জনকল্যাণমূলক কাজের মধ্যেই তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement