যদি বাংলাদেশের ১.২৫ কোটি হিন্দু ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করেন। তাহলে পৃথিবীর সব হিন্দুরা তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে এমনই বার্তা দিলেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকেই রণক্ষেত্র বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনুস দায়িত্ব নিলেও কট্টরপন্থীদের দাপাদাপি আরও বেড়েছে।
রবিবার মুম্বইতে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ভাগবত। সেখানে বক্তৃতা করার সময় তিনি বলেন, “বাংলাদেশে প্রায় ১.২৫ কোটি হিন্দু বসবাস করেন। যদি তাঁরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করেন, তাহলে পৃথিবীর সব হিন্দুরা তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন। তাঁদের সাহায্য করবেন।"
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকেই রণক্ষেত্র বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনুস দায়িত্ব নিলেও কট্টরপন্থীদের দাপাদাপি আরও বেড়েছে। সম্প্রতি ছাত্রনেতা ওসমান হাদি খুনের ঘটনায় ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় সে দেশের সংবাদমাধ্যমের দপ্তরগুলিতে। এমনকী অগ্নিসংযোগও করে দেওয়া হয়। কট্টরপন্থীদের হাত থেকে রেহাই পায়নি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছায়ানটও। সেখানেও রাতভর চলে তাণ্ডব। এরপরই সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক দীপু দাসকে গণপিটুনির পর তাঁর দেহ গাছে ঝুলিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনায় কেঁপে ওঠে গোটা বিশ্ব। তারপর থেকেই দেশের নানা প্রান্ত থেকে এসেছে সংখ্যালঘুদের উপর হামলার খবর। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে বড় বার্তা দিলেন সংঘ প্রধান।
